বৃহস্পতিবার দুপুরে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার এনায়েতনগর ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের ধর্মগঞ্জ চটলার মাঠ সংলগ্ন ‘সোনার বাংলা সংসদ ক্লাব’-এর সামনে এ প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এতে স্থানীয় বিএনপি, অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মী এবং ধর্মগঞ্জ চটলার মাঠ এলাকার বিপুল সংখ্যক সাধারণ মানুষ অংশ নেন।
প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “এলাকায় মাদকের বিস্তার রোধে এবং যুবসমাজকে বিপথগামী হওয়া থেকে রক্ষা করতে যুবদল নেতা মোজাহিদুল ইসলাম সজীব শুরু থেকেই আপসহীন ভূমিকা পালন করে আসছেন। তিনি মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলায় ক্ষিপ্ত হয়ে উঠেছে স্থানীয় মাদক চক্রটি। নিজেদের অপকর্ম আড়াল করতে এবং সজীবকে সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার হীন উদ্দেশ্যে সোশ্যাল মিডিয়ায় বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। শুধু তাই নয়, তাকে প্রকাশ্যে ও গোপনে প্রাণনাশের হুমকিও দেওয়া হচ্ছে।”
বক্তারা আরও বলেন, “মাদকের বিরুদ্ধে কথা বলা কোনো অপরাধ হতে পারে না। মাদক সমাজ ও দেশকে ধ্বংস করছে। যারা মাদকের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করে, তাদের পাশে পুরো সমাজকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। কোনো হুমকি-ধমকি দিয়ে মাদকবিরোধী সামাজিক অবস্থানকে স্তব্ধ করা যাবে না।” অবিলম্বে চিহ্নিত মাদক কারবারি ও অপপ্রচারকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আওতায় আনতে সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশ ও স্থানীয় প্রশাসনের প্রতি জোর দাবি জানান তারা। অন্যথায় এলাকাবাসীকে সঙ্গে নিয়ে কঠোর গণআন্দোলন গড়ে তোলার হুঁশিয়ারিও দেন নেতৃবৃন্দ।
ভুক্তভোগী যুবদল নেতা মোজাহিদুল ইসলাম সজীব বলেন, “এলাকাকে মাদকমুক্ত ও নিরাপদ রাখতে আমি সবসময় সাধারণ মানুষকে পাশে নিয়ে কাজ করছি। এতে কায়েমি স্বার্থান্বেষী মাদক চক্রটি আমার ওপর ক্ষুব্ধ হয়ে মিথ্যা অপপ্রচার ও হত্যার হুমকি দিচ্ছে। আমি নিজের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণসহ অপরাধীদের বিরুদ্ধে প্রশাসনের তাৎক্ষণিক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানাচ্ছি।”
সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন এনায়েতনগর ইউনিয়ন ৬নং ওয়ার্ড বিএনপি ও বিট পুলিশিংয়ের সভাপতি মাসুদুর হাসান, ওয়ার্ড বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক তারা মিয়া প্রধান, সহ-সভাপতি রতন, জেলা ছাত্রদলের সাবেক সহ-সভাপতি শরীফ হোসেন মানিক, ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর আমীর মাইনউদ্দিন বেপারী, এনায়েতনগর ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি মনির হোসেন, সাধারণ সম্পাদক খায়রুল আলম জসিম, সিনিয়র সহ-সভাপতি লিটন চৌধুরী, জেলা তাঁতী দলের যুগ্ম সম্পাদক মাসুম পারভেজ, ইউনিয়ন শ্রমিক দলের সাবেক সহ-সভাপতি নূর আলম, যুবদল নেতা মোজাহিদুল ইসলাম সজীব, ছাত্রদল নেতা জিহাদ হোসেনসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও সাধারণ এলাকাবাসী।