এসময় সাবেক প্যানেল মেয়র ও নতুন জিমখানা পঞ্চায়েত কমিটির উপদেষ্টা আফসানা আফরোজ বিভা হাসান প্রতিবাদ সভায় বলেন, যারা এই সমাজে মাদক ছেড়ে ভালো হতে চায় তাদেরকে সুযোগ অবশ্যই দিতে হবে। এই জিমখানা মাদকের হটইষ্পোট ছিলো এই জিমখানা। আপনারা নিজেদের জীবন বাজী রেখে নারী- পুরুষ সকলে মিলে মাদক ব্যাবসায়ী ও সেবন নারীদের এখান থেকে বিতারিত করেছেন, আপনাদের সকলের চেষ্টায় আজ কে এই এলাকা মাদক মুক্ত হয়েছে এটা আপনাদের সবচেয়ে বড় স্বার্থকতা।
তিনি আরও বলেন আজকে একজন ব্যাক্তির জন্য প্রতিবাদ সভা করতে হয় এটা খুবই দুঃখজনক নয় কি, আমার মনে হয় নারায়ণগঞ্জের মধ্যে আপনারই সেপটি আছেন জিমখানা কে মাদকমুক্ত করেছেন। কারন আপনারা সম্মিলিত ভাবে প্রচেষ্টা চালিয়ে মাদক নির্মূল করতে পেরেছেন।
তিনি আরও বলেন মা- বোনেরা ও পুরুষরা যদি মাদকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ না করতেন তাহলে আজকে এখানে দারিয়ে কথা বলতে পারতাম না, আমরা যা দেখেছি পুরুষের পাশা পাশি নারীদের ভূমিকা বেশি ছিলো।
তিনি পঞ্চায়েত কে অনুরোধ করে বলেন, আগে যাদের দোকানপাট ও কোয়ার্টার ছিলো আমাদের সহোযোগিতা নিয়ে এটার একটা দাম নির্ধান করে দান করে দিবেন। কারন সবাই কে সুযোগ দেওয়া দরকার, আমি আগেও বলেছি এখনো বলছি, মানুষ ভুল করে এখন সন্তানরা যখন বড় হয়, স্কুল কলেজে লেখা পড়া করে তাদের কে সামনের দিকে এগিয়ে দিতে চায়।ওদের দোকান ও কোয়ার্টার যে ঘরগুলো আছে আগে আপনাদের পন্চায়েতের আন্ডারে নিবেন, আরও আপনারা যেটা তালা লাগিয়ে ছিলেন থানায় জমা দিবেন, থানায় জমা দেওয়ার পরে একটা মূল্য দাম ধরবেন, ওদেরকে আগে ছার দিবেন।
তিনি আরও বলেন আজকের পরে যদি মিঠু বেশি বাড়াবাড়ি করে তাহলে তাকে নতুন জিমখানায় তাকে ঢুকতে দেওয়া হবে না এবং জিম খানায় আসা বন্ধ করে দিবো।
আপনারা মাঝে মধ্যে পঞ্চায়েত এর মিটিং করবেন এলাকার অসুবিধা – সুবিধা গুলো নিয়ে আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করবেন, এ ধরনের প্রতিবাদ সভা করার দরকার নেই। আপনারা পঞ্চায়েতে দ্রুত বসেন তানভীর, শাহ আলম, আলমচাঁন সহ যারা আছে যেহেতু ওদের কে এলাকায় ঢুকতে দেওয়া হয়না ওদের যা আছে এগুলো নিয়ে তাদের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিয়ে ওদেরকে বিতাড়িত করবেন। এসময় মোসাম্মৎ জলি বেগম, নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির সাবেক যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম দ্বূীপু সহ পঞ্চায়েত কমিটির নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।