অভিযোগকারী সোনিয়া আক্তার জানান, সম্প্রতি বন্দর এলাকার শাহী মসজিদ এলাকায় একটি ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটে| উক্ত ঘটনায় দায়ের করা মামলায় (মামলা নং: ৩৫/৫/২০২৬) তার স্বামী মোঃ হাসান ও ছেলে সিমান্তকে আসামি করা হয়েছে| অথচ ঘটনার সাথে তাদের কোনো সম্পৃক্ততা নেই বলে দাবি করেন তিনি|সোনিয়া আক্তার বলেন, ‘ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজে যাদের ছিনতাই করতে দেখা গেছে, তাদের নাম মামলার এজাহারে নেই| অন্যদিকে, ফুটেজে আমার স্বামী বা ছেলের কোনো উপস্থিতি নেই| অথচ কোনো ধরনের যাচাই-বাছাই ছাড়াই তাদের মামলায় জড়িয়ে দেওয়া হয়েছে|’
পরিবারটির অভিযোগ, প্রকৃত অপরাধীদের শনাক্ত না করে তড়িঘড়ি করে মামলাটি করা হয়েছে| এতে করে তারা চরম সামাজিক ও আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন| সোনিয়া আক্তার বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন নারায়ণগঞ্জ মহানগরের মহিলা বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন| তার ছেলে সিমান্ত সরকারি কদম রসূল কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির পরীক্ষার্থী এবং তার স্বামী একজন রেন্ট-এ-কার ব্যবসায়ী| তারা ২০২৪ সালের ˆবষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেছিলেন বলেও জানান তিনি|
এ বিষয়ে সোনিয়া আক্তার বলেন, ‘আমি একজন মানবাধিকারকর্মী হিসেবে ন্যায়বিচার প্রত্যাশা করি| সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত হলে প্রকৃত সত্য বেরিয়ে আসবে এবং প্রকৃত দোষীরা শনাক্ত হবে| আমি আমার স্বামী ও সন্তানসহ নিরপরাধ ব্যক্তিদের এই হয়রানি থেকে মুক্তি চাই|’
দ্রুততম সময়ের মধ্যে মামলার নিরপেক্ষ তদন্তপূর্বক প্রকৃত দোষীদের আইনের আওতায় আনা এবং নির্দোষদের হয়রানি বন্ধে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগী পরিবার|