সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬, ১০:২২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
রক্তাক্ত জুলাইয়ের ২ বছর: নারায়ণগঞ্জে মাঠের সাংবাদিকদের খোঁজ রাখেনি কেউ!  অসুস্থ সাংবাদিক হাফিজুর রহমান মিন্টুর খোঁজ নিলেন জামায়াত নেতৃবৃন্দ: আরোগ্য কামনায় দোয়া বাংলাদেশ ফ্লাওয়ার্স মিলস ওনার্স এসোসিয়েশনের সভাপতি নির্বাচিত হওয়ায় মো. সোহাগকে নারায়ণগঞ্জ চেম্বারের অভিনন্দন নাসিক প্রশাসক সাখাওয়াত হোসেন খানকে নারায়ণগঞ্জ চেম্বারের ফুলেল শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন নারায়ণগঞ্জে ৩১ সদস্যের মহানগর কমিউনিটি পুলিশিং কমিটি গঠন প্রয়াত এড. বিমল চন্দ্র দাসের স্মরণে জেলা আইনজীবী সমিতির শোক সভা প্রিপেইড মিটারের বাতিলের দাবিতে ২১ জুলাই ডিপিডিসি’র সামনে  বিদ্যুৎ গ্রাহক সমাবেশ সাবেক ​ছাত্রনেতা রিজনের মায়ের ইন্তেকালে নারায়ণগঞ্জ জেলা ছাত্র ফেডারেশনের গভীর শোক শহীদদের স্বীকৃতি ও গণহত্যার বিচারের দাবিতে জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি প্রদান নারায়ণগঞ্জের উন্নয়নে ৪ দফা দাবিতে সিটি প্রশাসককে নাগরিক আন্দোলনের স্মারকলিপি

৯৫% বর্জ্য পুড়িয়ে ৫০০ মেগাওয়াট উৎপাদন’সহ বছরে ১০০০ কোটি টাকা সাশ্রয়ের সম্ভাবনা : প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ২১ জুন, ২০২৬
  • ১২৩ 🪪

দেশের বিভিন্ন শহরের ময়লার ভাগাড় দিয়ে কমপক্ষে ৪০০-৫০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব। এতে বছরে বাঁচবে প্রায় (১০০০) এক হাজার কোটি টাকার ও বেশী এবং সময়ের সঠিক পরিকল্পনা বাস্তবায়নে বাঁচবে অর্থের অপচয় ও শহর হবে পরিচ্ছন্ন। অথচ কিছু অসাধু কর্মকর্তার পকেট ভারী করতে আটকে রাখা হয়েছে এমন মেগাপ্রকল্প।

চীনের মতো দেশে ময়লা পুড়িয়ে বিদ্যুৎ বানানোর ৪০০ টির বেশি প্ল্যান্ট চালু আছে। তাদের দেশে এখন ময়লার এতই অভাব যে বিদ্যুৎকেন্দ্র চালাতে বিদেশ থেকে বর্জ্য আমদানি করতে হয়। তাহলে আমাদের দেশ কেন পারবে না বর্জ্য (ময়লার স্তুুপ) থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে। চেষ্টা করলে আমাদের দেশেও সম্ভব বলে মনে করেন সচেতন মহল।

ঢাকা, চট্টগ্রাম সহ বিভিন্ন বিভাগের ডাস্টবিন ও রাস্তায় ময়লার স্তূপ আর দুর্গন্ধ সহ্য করতে হচ্ছে নাগরিকদের। অথচ এই ময়লা ব্যবহার করেই কমপক্ষে ৪০০-৫০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব। ফলে কয়লা বা এলএনজি আমদানির চাপ কমবে, বছরে দেশের হাজার কোটি টাকা বেঁচে যাবে। সম্প্রতি একটি চীনা প্রতিষ্ঠান চট্টগ্রামে বর্জ্য থেকে ৪০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের প্রস্তাবও দিয়েছে।

তাহলে এত বছর ধরে ময়লা থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছে না কেন? এমনটাই প্রশ্ন করছেন দেশের সচেতন মহল।

প্রতি বছর ময়লার ভাগাড় বা ল্যান্ডফিল ও জমি অধিগ্রহণের নামে শত শত কোটি টাকার বাজেট পাস হয় এবং তা লুট হয়। ময়লা পুড়িয়ে বিদ্যুৎ বানানো হলে ল্যান্ডফিলের প্রয়োজন ফুরিয়ে যাবে-৯৫% বর্জ্যই পুড়ে যাবে। ল্যান্ডফিল না থাকলে অসাধু কর্মকর্তাদের অবৈধ আয়ের পথ চিরতরে বন্ধ হয়ে যাবে।

তাই তারা বছরের পর বছর পরিবেশ ছাড়পত্র ও “ময়লায় পানি বেশি”-এমন কি নানা অজুহাত দেখিয়ে ঢাকার আমিনবাজারসহ অন্যান্য প্রকল্প আটকে রাখছে।

আমরা কেন ময়লার স্তূপে বসে থেকে বিদেশ থেকে চড়া দামে জ্বালানি কিনব? সময়ের সঠিক পরিকল্পনা বাস্তবায়ন হলে অর্থের অপচয় রোধ হবে, শহর হবে পরিচ্ছন্ন।এবং দেশে বিদ্যুৎ ঘাটতি অনেকাংশে কমে যাবে।

এই ল্যান্ডফিল সিন্ডিকেট ভাঙতে বর্জ্য-বিদ্যুৎ প্রকল্পগুলোকে সরাসরি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অধীনে নিয়ে একটি উচ্চ পর্যায়ের টাস্কফোর্স গঠন করা এখন সময়ের দাবি। স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে পারলেই দেশের বর্জ্যই হয়ে উঠবে দেশের সম্পদ।

——–
এস এম জহিরুল ইসলাম বিদ্যুৎ
সাংবাদিক, মানবাধিকার কর্মী ও কলামিস্ট।

এ বিভাগের আরো সংবাদ
©2020 All rights reserved Daily Narayanganj
Design by: SHAMIR IT
themesba-lates1749691102