নারায়ণগঞ্জ আটা-ময়দা মিল মালিক সমিতির সভাপতি আলহাজ্ব মোহাম্মদ সোহাগের বিরুদ্ধে বস্তাপ্রতি অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ অস্বীকার করে তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে সংগঠনটি। সোমবার (২৪ আগস্ট) এক প্রতিবাদলিপিতে সমিতির পক্ষ থেকে প্রকাশিত সংবাদটিকে ভিত্তিহীন ও তথ্যপ্রমাণহীন বলে দাবি করা হয়।
প্রতিবাদলিপিতে বলা হয়, সম্প্রতি ‘আটা-ময়দার বস্তায় ৩০০ টাকা বাড়তি আদায়’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদে সমিতির সভাপতি মোহাম্মদ সোহাগের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ আনা হয়েছে, তার কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্য-উপাত্ত বা লেনদেনের প্রমাণ নেই। সংগঠনটি দাবি করে, মোহাম্মদ সোহাগ কোনো ক্রেতার কাছ থেকে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করেননি এবং এ ধরনের কোনো নির্দেশনাও প্রদান করেননি।
বাজারদর বৃদ্ধির কারণ ব্যাখ্যা করে সমিতিও জানায়, নিতাইগঞ্জ এলাকায় পণ্য ওঠানামা ও পরিবহনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ঘাট ইজারা ফি সম্প্রতি বৃদ্ধি পেয়েছে। এর পাশাপাশি আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় বাজারে গমের দাম বৃদ্ধি, আমদানি ব্যয়, পরিবহন খরচ, শ্রমিক মজুরি এবং উৎপাদন ব্যয় বেড়ে যাওয়ার কারণে আটা-ময়দার বাজারদরে প্রভাব পড়েছে। বাজারদর বৃদ্ধি এবং কোনো ব্যক্তির মাধ্যমে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের বিষয় দুটি সম্পূর্ণ আলাদা।
প্রতিবাদলিপিতে আরও উল্লেখ করা হয়, নিতাইগঞ্জ ঘাটের ইজারা ও পণ্য ওঠানামা নিয়ে দীর্ঘদিনের কিছু সমস্যা রয়েছে। এই সমস্যাগুলো সমাধানে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের ভূমিকা ও প্রকৃত কারণ খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। কোনো ব্যক্তিকে একতরফাভাবে দায়ী করার আগে সংশ্লিষ্ট তথ্য যাচাই করা উচিত।
সমিতির পক্ষ থেকে জানানো হয়, মোহাম্মদ সোহাগ সভাপতি হিসেবে মিল মালিকদের সমস্যা সমাধান এবং সরকারি বিভিন্ন সংস্থার সঙ্গে সমন্বয়ের ক্ষেত্রে সর্বদা দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করে আসছেন। ভবিষ্যতে যেকোনো সংবাদ প্রকাশের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্য গ্রহণ ও তথ্য যাচাইয়ের মাধ্যমে বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছে নারায়ণগঞ্জ আটা-ময়দা মিল মালিক সমিতি।