এ ঘটনায় বাড়ির মালিকের বড় মেয়ে বিউটি আক্তার গণমাধ্যমের কাছে অভিযোগ করেছেন। রোববার (৩০ আগস্ট) সন্ধ্যায় শিশুবাগ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে বলে দাবি করেন বিউটি আক্তার। তার অভিযোগ, তার সৎ মা সালমা বেগমের পক্ষ নিয়ে সাবেক কাউন্সিলর হান্নান ৮-১০ জন সহযোগীকে সঙ্গে নিয়ে তাদের বাড়িতে প্রবেশ করে জোরপূর্বক দখল নেন। পরে বাড়ির নিচতলার একটি কক্ষে তার সৎ মা সালমা বেগমকে রেখে যান তারা।
বিউটি আক্তার বলেন, “হান্নান ও তার সঙ্গে থাকা বাড়ৈয়পাড়ার বাসিন্দা শাহজাহান, সোনাকান্দার সাবেক কাউন্সিলর মুরাদ, সালেনগরের বাসিন্দা জামান, সহ তার লোকজন বাড়িতে এসে আমাদের অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন। এবং প্রানে মেরে ফেলার হুমকি দেন। আমরা ও আমার বোন বাধা দিলে তারা আমাদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন। একপর্যায়ে ধস্তাধস্তিতে আমার জামা কাপড় ছিঁড়ে যায় এবং আমার গায়ে ও হাতে পচন্ড আঘাত লাগে।”
তিনি আরও অভিযোগ করেন, ঘটনার একপর্যায়ে কোন ধরনের মামলা ওয়ারেন্ট ছাড়া পুলিশ এসে তার বোনকে থানায় নিয়ে যায়। এবং রাত ২ টা পর্যন্ত আটক করে রাখেন। এতে তারা আরও হয়রানির শিকার হয়েছেন বলে দাবি করেন বিউটি আক্তার।
বিউটি আক্তারের ভাষ্য, বাড়িটি নিয়ে আদালতে মামলা চলমান রয়েছে। এ অবস্থায় আদালতের বিষয়টি নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত কোনো পক্ষ কীভাবে জোরপূর্বক বাড়ির দখল নিতে পারে, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তিনি। একই সঙ্গে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও আইনগত প্রতিকার দাবি করেন তিনি। তিনি আরো বলেন আমি ও আমার পরিবার নিয়ে শঙ্কায় আছি সন্ত্রাসী হান্নান গ্রুপ যে কোন মূর্হতে আমাদের উপর আক্রমণ করতে পারে। আমাদের কিছু হলে হান্নান ও তার সহযোগি বাহিনী ও পুলিশ প্রশাসন মিডিয়ারা দায় থাকবে বলে জানান।
এ বিষয়ে বন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি)-কে গণমাধ্যমকর্মীরা ফোন করলে তিনি ঘটনাটি সম্পর্কে অবগত নন বলে জানান।
অভিযোগের বিষয়ে সাবেক কাউন্সিলর হান্নানের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, “আমরা যতটুকু জানি, যার বাড়ি তিনিই দখলে নিয়েছেন।” আমরা সাথে ছিলাম।