শুক্রবার, ০৭ অগাস্ট ২০২৬, ০২:০৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
তোলারাম কলেজে ছাত্রাবাসে হামলা ও লুটপাটের অভিযোগ ছাত্রদলের বিরুদ্ধে: ছাত্রশক্তির সংবাদ সম্মেলন বৃষ্টি উপেক্ষা করে মহানগর বিএনপির বিশাল বিক্ষোভ: অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির অপচেষ্টা আমরা বরদাশত করব না বন্দর আদর্শ কিন্ডার গার্টেনের বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধণা ও সনদ বিতরণ অনুষ্ঠিত নারায়ণগঞ্জকে বিশেষ জেলা ঘোষণা ও প্রিপেইড মিটার বন্ধসহ ৫ দফা দাবিতে স্মারকলিপি গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকট ও দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে ডিসির মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর কাছে ১১ দলীয় ঐক্যের স্মারকলিপি  শামসুজ্জোহা উচ্চ বিদ্যালয়ের সভাপতি নির্বাচিত হওয়ায় মাসুদ কবীরকে বিএনপি নেতাদের ফুলেল শুভেচ্ছা সরকারি তোলারাম কলেজে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের স্মরণ: সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান অধ্যক্ষের ফতুল্লায় ১০ পুড়িয়া হেরোইনসহ একাধিক মামলার আসামি গ্রেপ্তার জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সকল শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় চৌধুরীবাড়ি ব্যবসায়ী এসোসিয়েশনের দোয়া জুলাই অভ্যূত্থান বার্ষিকী উপলক্ষে কাঁচপুরে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ নারায়ণগঞ্জ জেলার সমাবেশ অনুষ্ঠিত। 

প্রতীক বরাদ্দের দিনেই আচরণবিধি লঙ্ঘন: গণসংহতি আন্দোলন নির্বাচন পরিচালনা কমিটির গভীর শঙ্কা

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ২১ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ২৪৫ 🪪

আজ ২১ জানুয়ারি জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ করা হয়। এ সময় জেলা প্রশাসক প্রার্থীদের হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতীক তুলে দেন। তবে দুঃখজনকভাবে, প্রতীক বরাদ্দের দিনেই একাধিক প্রার্থীর পক্ষ থেকে নির্বাচনী আচরণবিধির সুস্পষ্ট ও প্রকাশ্য লঙ্ঘনের ঘটনা আমাদের দৃষ্টিগোচর হয়েছে।

গণসংহতি আন্দোলন (জিএসএ) নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আহ্বায়ক বিপ্লব খাঁন এবং সদস্য সচিব আলমগীর হোসেন আলম সংবাদমাধ্যমে পাঠানো এক যৌথ বিবৃতিতে এ ঘটনায় গভীর শঙ্কা প্রকাশ করেন। তাঁরা বলেন, প্রতীক বরাদ্দের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিক নির্বাচনী প্রক্রিয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ সম্পন্ন হয়েছে। যদিও আগামীকাল থেকে প্রচারণা শুরুর কথা, তথাপি প্রতীক বরাদ্দের দিনেই বহু প্রার্থী ও তাঁদের সমর্থকরা নির্বাচনী আচরণবিধিকে সম্পূর্ণভাবে উপেক্ষা করেছে।

নেতৃবৃন্দ বলেন, জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের ভেতরে প্রার্থীদের উদ্দেশে আচরণবিধি কঠোরভাবে মেনে চলার আহ্বান জানানো হলেও, একই সময়ে কার্যালয়ের বাইরে শতশত কর্মী-সমর্থক রঙিন প্রতীক প্রদর্শন, স্লোগান ও প্রকাশ্য শোডাউনে লিপ্ত ছিলেন। অথচ নির্বাচনী আচরণবিধিতে স্পষ্টভাবে যেকোনো ধরনের শোডাউন এবং রঙিন প্রতীক প্রদর্শন নিষিদ্ধ।

তাঁরা আরও বলেন, প্রতীক বরাদ্দের দিনেই যদি প্রার্থীরা বিধিনিষেধ মানতে অনীহা প্রকাশ করেন তবে তা পুরো নির্বাচনী পরিবেশ নিয়ে গুরুতর শঙ্কা সৃষ্টি করে। দীর্ঘদিন পর বাংলাদেশে একটি সুষ্ঠু, অংশগ্রহণমূলক ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এই নির্বাচন কেবল একটি ভোটের প্রতিযোগিতা নয়—এটি গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার এবং গণঅভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপলক্ষ। কিন্তু ক্ষমতার প্রদর্শন, প্রকাশ্য শোডাউন এবং কালো টাকার প্রভাব যদি শুরুতেই রোধ করা না যায় তবে এই সম্ভাবনা দ্রুত ধূলিসাৎ হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

নেতৃবৃন্দ বলেন, আমরা একটি প্রকৃত ‘লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড’ চাই—যার অঙ্গীকার নির্বাচন কমিশন বারবার করে আসছে। অথচ কমিশনের চোখের সামনেই আজ প্রার্থীদের পক্ষ থেকে ক্ষমতার প্রদর্শন ঘটেছে। এ ধরনের চর্চা যদি নির্বাচনের পুরো সময়জুড়ে চলতে থাকে, তবে এই কমিশনের নিরপেক্ষতা ও গ্রহণযোগ্যতা দ্রুত প্রশ্নবিদ্ধ হবে।

গণসংহতি আন্দোলন নির্বাচন পরিচালনা কমিটি সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনী পরিবেশ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সকল কর্তৃপক্ষের কাছে অবিলম্বে কার্যকর, দৃশ্যমান ও নিরপেক্ষ পদক্ষেপ গ্রহণের জোর দাবি জানাচ্ছে। কোনো বড় দল বা ক্ষমতাশালী গোষ্ঠীর কাছে জিম্মি না থেকে সকল প্রার্থীর জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করার আহ্বান জানানো হচ্ছে। যাতে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সত্যিকার অর্থেই একটি রোল মডেল হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হতে পারে।

এ বিভাগের আরো সংবাদ
©2020 All rights reserved Daily Narayanganj
Design by: SHAMIR IT
themesba-lates1749691102