এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক (ঢাকা বিভাগ) মাওলানা আরিফুল ইসলাম।
প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন, আমরা বারবার জীবন দিয়েছি, পঙ্গুত্ব বরণ করেছি, আমাদের সন্তানরা এতিম হয়েছে, নারীরা বিধবা হয়েছে। এগুলো জাতির ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে। কিন্তু যে লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য নিয়ে আমরা ত্যাগ করেছি তা পূরণ হয় নাই। কারণ আমরা শৃগালের হাতে মুরগী তুলে দেয়ার মতো ভুল করেছি। মানব রচিত তন্ত্রমন্ত্রের মাধ্যমে জাতির প্রত্যাশা পূরণ করা সম্ভব না। মানবরচিত তন্ত্রমন্ত্রের মাধ্যমে জুলাইয়ের প্রত্যাশা বাস্তবায়নের প্রত্যাশা করা বোকামী। এর জন্য ইসলামই একমাত্র সমাধান। বৈষম্যরোধ করতে, নারীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে, সংখ্যালঘুদের শান্তি নিশ্চিত করতে ইসলাম-ই একমাত্র পরীক্ষিত পদ্ধতি।
তিনি আরো বলেন, জুলাই যে সুযোগ তৈরি করেছিলো তাকে কাজে লাগাতে আমরা ইসলামের ভিত্তিতে একটি সমঝোতা করেছিলাম। এই সমঝোতা যখন সম্ভাবনাময় হয়ে উঠলো তখন স্বার্থান্বেষি মহল ক্ষমতার লোভে আদর্শ ছেড়ে প্রচলিত পদ্ধতিতে আগ্রহী হয়ে উঠেছিলো। তারা বাংলাদেশে ইসলামের সম্ভবনা নষ্ট করেছে। একই সাথে তারা দেশের ও জুলাইয়ের প্রত্যাশাও নষ্ট করেছে।
সভাপতি আলহাজ্ব আব্দুর রশিদ বলেন, গুম তদন্তের দায়িত্ব পুলিশকে দেয়া জুলাই চেতনার সাথে স্পষ্ট গাদ্দারি।কারণ,অতীতে গুমের সাথে বেশি সম্পৃক্ততা পুলিশ সদস্যদেরই ছিল। অভ্যুত্থান পরবর্তী জনগণের প্রত্যাশা ছিল সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলো স্বাধীনভাবে তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করবে,কিন্তু সমঝোতার নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় বর্তমান সরকার সে আশায় গুড়ে বালি দিয়েছে।