বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬, ১০:১৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
আমেরিকান প্রেস ক্লাব অব বাংলাদেশ অরিজিনের সদস্য পদ অর্জনে এস এম জহিরুল ইসলাম বিদ্যুৎ’কে এনজেইউ’র ফুলেল শুভেচ্ছা সিদ্ধিরগঞ্জে এমপি পুত্র সজিবের হস্তক্ষেপে চাঁদাবাজ মুক্ত হলো লেগুনা পরিবহন বক্তাবলীতে অবৈধ পশুর হাটে তদন্তে গিয়েও আইগত পদক্ষেপ গ্রহণ করেননি ইউএনও নগরীর যানজট নিরসনে আবারও মাঠে বিকেএমইএ-চেম্বার ও মডেল গ্রুপ সস্তা রাজনীতির যাঁতাকলে পিষ্ট না হওয়ার আহ্বান -শিশির মনিরের বকেয়া পাওনা ও ডিআইএফই কর্মকর্তাদের অপসারণ দাবিতে নারায়ণগঞ্জে শ্রমিক সংগঠনগুলোর প্রতিবাদ সভা শহরের যানজট নিরসনে নামল ‘উই আর ভলান্টিয়ার’: প্রশাসন ও সিটি করপোরেশনের যৌথ উদ্যোগ নারায়ণগঞ্জে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স সপ্তাহ ২০২৬ উপলক্ষে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা ও আলোচনা সভা নারায়ণগঞ্জ জেলা পরিষদ প্রশাসক মামুন মাহমুদের সাথে পল্লী চিকিৎসক নেতাদের সৌজন্য সাক্ষাৎ অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই নারায়ণগঞ্জ সদরে হাটের ইজারা সম্পন্ন: প্রশংসায় ভাসছেন ইউএনও ফয়েজ উদ্দিন

কেন্দ্রীয় হাঁস প্রজনন খামার: প্রোটিনের চাহিদা পূরণ করছে খামারটি

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ৬০৭ 🪪

দেশে গবাদি পশু ও ডিমের দাম আকাশ ছোঁয়া হলেও নারায়ণগঞ্জে মধ্যবিত্ত এবং নিম্ন আয়ের মানুষের প্রোটিনের চাহিদা বেশ ভালোভাবেই পূরণ করছে কেন্দ্রীয় হাঁস প্রজনন খামার। সরকারি এ খামার থেকে খুবই কম মূল্যে হাঁসের বাচ্চা ও ডিম কিনে বাণিজ্যিকভাবে লাভবান হচ্ছেন যুবসমাজসহ নতুন উদ্যোক্তা। সরকার আরও উদ্যোগ নিলে প্রজনন ও উৎপাদন কয়েক গুণ বাড়ানো সম্ভব বলে দাবি সংশ্লিষ্টদের।

জানা গেছে, শহরের হাজীগঞ্জ এলাকায় ৭.৮৭ একর জমির ওপর ১৯৪০ সালে প্রতিষ্ঠা করা হয় সরকারি হাঁস মুরগি খামার। পরবর্তীতে ১৯৮৬ সালে এটি কেন্দ্রীয় হাঁস প্রজনন খামারে রূপান্তর করা হয়। এরপর থেকে এখানে শুধুমাত্র হাঁস প্রজনন, ডিম উৎপাদন ও বিক্রি করা হয়। দেশি সাদা ও কালো জাতের পাশাপাশি চীনের জিনডিং, বেইজিং, পিংকি, ইংল্যান্ডের খাকি ক্যাম্পবেল ও ভারতের রানারসহ বিভিন্ন দেশের উন্নত জাতের হাঁস পালন ও বাচ্চা প্রজনন করা হয় খামারটিতে। বর্তমানে ডিম পাড়ার উপযোগী প্রাপ্তবয়স্ক ও কিশোর বয়সী ৩৬০০-৩৭০০ হাঁস পালন করা হচ্ছে।

সারা দেশে জেলাভিত্তিক আঞ্চলিক খামার থাকলেও নারায়ণগঞ্জের এ কেন্দ্রীয় খামারটি দেশের প্রধান হাঁস প্রজনন খামার হিসেবে পরিচালিত হচ্ছে। প্রতি সপ্তাহে ছয়দিন পর পর ডিম ফুটানো বাচ্চা বুকিংয়ের মাধ্যমে খামারি ও উদ্যোক্তাদের কাছে বিক্রি করা হয়। বাজার মূল্যের চেয়ে খুবই কম মূল্যে দেশি বিদেশি নানা প্রজাতির হাঁসের বাচ্চা ও ডিম বিক্রি হয় বলে বিভিন্ন এলাকা থেকে সাধারণ মানুষ ও উদ্যোক্তারা এ খামারে কিনতে আসেন। এখান থেকে হাঁস, বাচ্চা ও ডিম দেশের অধিকাংশ জেলাতেও সরবরাহ করা হয়।

খামারটিতে জনবল সংকটের কারণে ছুটির দিনেও সবাইকে অতিরিক্ত কাজ করতে হয়। এছাড়া পর্যাপ্ত পরিমাণ জায়গা থাকলেও গত চার দশক ধরে প্রজনন ও উৎপাদনের হার একই অবস্থায় স্থিতিশীল রয়েছে। অবকাঠামো উন্নয়ন, জনবল বৃদ্ধি ও খাবারের বরাদ্দ বাড়ানো হলে প্রজনন এবং উৎপাদন দ্বিগুণ বৃদ্ধি করা সম্ভব বলে দাবি সংশ্লিষ্টদের।

নারায়ণগঞ্জ কেন্দ্রীয় হাঁস প্রজনন খামারের উপর পরিচালক এটিএম সালাহ উদ্দিন বলেন, আমাদের যথেষ্ট পরিমাণ জায়গা আছে। এখানে নতুন শেড করা যায়। তবে খাবারের নির্দিষ্ট বরাদ্দ আছে। যদি অবকাঠামো উন্নয়ন, জনবল ও খাবারের বরাদ্দ বাড়ানো যায় তবে প্রজনন ও উৎপাদন দ্বিগুন বাড়ানো যাবে।

তবে উৎপাদন বাড়াতে সরকার আগামী বছর ৭০ কোটি টাকা প্রকল্পের কাজ শুরু করতে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন খামারের উপপরিচালক এটিএম সালাহ উদ্দিন। তিনি বলেন, প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে প্রজনন ও উৎপাদন তিন থেকে চার গুণ বৃদ্ধি পাবে। পাশাপাশি দেশের পুষ্টির চাহিদা পূরণ হবে এবং বিদেশে রফতানিও করা যাবে।

এ বিভাগের আরো সংবাদ
©2020 All rights reserved Daily Narayanganj
Design by: SHAMIR IT
themesba-lates1749691102