সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ০৫:১৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
নারায়ণগঞ্জে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের নেতা ও ছাত্র ফেডারেশন সভাপতি সাইদুর রহমান নিখোঁজ সোনারগাঁওয়ে নিষিদ্ধ সংগঠনের পোস্টার লাগানোর সময় সক্রিয় সদস্য শান্ত গ্রেফতার আওয়ামী লীগের নাশকতা ঠেকাতে নারায়ণগঞ্জে মোঃ সিদ্দিকুর রহমান উজ্জলের নেতৃত্বে শান্তি মিছিল মুখোশ পরে ষড়যন্ত্র ছাড়ুন, সাহস থাকলে রাজপথে আসুন’: ওসমানের বাহিনীকে টিপুর চ্যালেঞ্জ আওয়ামী লীগের নাশকতা ঠেকাতে নারায়ণগঞ্জে মহানগর বিএনপির শান্তি মিছিল; ফারুক মালের যোগদান তারেক রহমানের নির্দেশ, মাদক ও সন্ত্রাসমুক্ত হবে নিতাইগঞ্জ’: বাপ্পী চিশতীর হুঁশিয়ারি বন্দরে ‘নির্দোষ’ স্বামী-সন্তানকে মামলায় জড়ানোয় এসপির কাছে অভিযোগ নগরীর জিমখানায় অভিযান চালিয়ে নিষিদ্ধ সংগঠনের সক্রিয় সদস্য নিপু গ্রেফতার ৯৫% বর্জ্য পুড়িয়ে ৫০০ মেগাওয়াট উৎপাদন’সহ বছরে ১০০০ কোটি টাকা সাশ্রয়ের সম্ভাবনা : প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা কোনো মাদক ব্যবসায়ী, চাঁদাবাজ বা সুবিধাবাদী ব্যক্তিকে দলের মনোনয়ন দেওয়া হবে না: এড.সাখাওয়াত 

বীর মুক্তিযোদ্ধা সামিউল্লাহ মিলনের রুহের মাগফেরাত কামনায় দোয়া

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪
  • ৩১৬ 🪪

নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য এ কে এম সেলিম ওসমান বলেন, আমরা মুক্তিযুদ্ধে গিয়েছিলাম বঙ্গবন্ধুর নির্দেশে। তিনি বলছিলেন, তোমাদের কাছে যা আছে তাই নিয়ে ঝাপিয়ে পড়ো। আমরা তখন চিনতাম না বন্ধুক কি? রাইফেল কি? কিন্তু আমাদের কাছে যা ছিল সেটা নিয়ে আমরা ঝাপিয়ে পড়েছি। যুদ্ধ করে স্বাধীন করতে আমাদের নয় মাস লাগতো না যদি আমাদের মাঝখানে মীরজাফর না থাকতো।

শুক্রবার (২রা ফেব্রুয়ারী) বাদ আসর বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদের জেলা ইউনিট কমান্ড কার্যালয়ে, সাবেক জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার সামিউল্লা মিলনের মৃত্যুতে দোয়া ও মিলাদ মাহফিলে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্য তিরি আরও বলেন, আমরা চাই এমন আমরা মুক্তিযোদ্ধারা এখানে প্রায় মাসে একবার হলেও যেন বসতে পারি। আমরা যাতে জানতে পারি যে আমাদের মাঝখানে কারা আছেন এবং কারা চলে গেলেন। আমি আসার পর জেনেছি ফিরোজ মেম্বার মারা গেছেন। আলহামদুলিল্লাহ আমরা মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে ভালো আছি এবং যারা চলে গেছেন আল্লাহতালা যেন তাদেরকে জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করেন।

এমপি সেলিম ওসমান বলেন, আজ আপনাদের সামনে বসেই জানতে পারলাম বন্দরে আরেকজন মুক্তিযোদ্ধা মারা গেছেন। আসলে আমরা কে কখন মারা যায় সেটা আমরা কেউ বলতে পারিনা। দেখতে দেখতে মিলন ভাই আমাদের মাঝখানে চলে গিয়েছে। মিলন ভাই সব সময় মানুষের সেবায় নিয়োজিত ছিলেন। কার কখন কি প্রয়োজন, কার মেয়ের বিয়ে হবে, কার ছেলে লেখাপড়া হচ্ছে না সে সম্বন্ধে তিনি সবসময় খেয়াল রাখতেন। একজন মুক্তিযোদ্ধা হিসাবে মিলন ভাই অন্যান্য মুক্তিযোদ্ধাদের অনেক ভালবাসতেন। তিনি নিজে একজন মুক্তিযোদ্ধো ছিলেন সেটা কখনো মনে করতেন না। তিনি মনে করতেন মুক্তিযোদ্ধাদের সেবা করাই হয়তো তার কাজ। তার জীবনের এতো দিন মুক্তিযোদ্ধার সেবায়, জনগণের সেবায় পাড় করে দিয়েছেন। আমরা মুক্তিযোদ্ধারা পয়সা জন্য যুদ্ধ করতে যাইনি, দেশের স্বার্থ জনগণের স্বার্থে যুদ্ধ করতে গিয়েছিলাম। আমরা মুক্তিযুদ্ধে গিয়েছিলাম বঙ্গবন্ধুর নির্দেশে। তিনি বলছিলেন, তোমাদের কাছে যা আছে তাই নিয়ে ঝাপিয়ে পড়ো। আমরা তখন চিনতাম না বন্ধুক কি? রাইফেল কি? কিন্তু আমাদের কাছে যা ছিল সেটা নিয়ে আমরা ঝাপিয়ে পড়েছি। যুদ্ধ করে স্বাধীন করতে আমাদের নয় মাস লাগতো না যদি আমাদের মাঝখানে মীরজাফর না থাকতো। মুক্তিযুদ্ধের পর জননেত্রী শেখ হাসিনা এসেই মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান দিয়েছেন। যে নিজের অসুস্থ থেকে আমাদের সুস্থ রাখার কথা চিন্তা করেছেন। আমাদের উচিত সেই দেশরত্ন শেখ হাসিনার জন্য দোয়া করা। আমাদের যেন বাংলাদেশের মানুষকে এবং মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য ভালো রাখতে পারেন। আমাদের পরবর্তী প্রজন্ম মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস জানতে পেরেছে জননেত্রী শেখ হাসিনার জন্য। তিনি আশাতেই মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস আজ ছোট-বড় সবাই জানতে পেরেছে।

দোয়ায় নারায়ণগঞ্জ জেলা দিপুটি কমান্ডার এ্যাড, নুরুল হুদার সভাপতিত্বে ও সদর উপজেলা কমান্ডার শাজাহান ভূঁইয়া জুলহাসের উপস্থাপনায় আরও উপস্থিত ছিলেন, নারায়ণগঞ্জ জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান চন্দন শীল,সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এ্যাড, আবুল কালাম আজাদ, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুল হাই, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) নুরুন্নবী, ১৭ নম্বর ওয়ার্ড পাইকপাড়া ইউনিট কমান্ডার নুর উদ্দিন আহমৃমেদ প্রয়াত বীর মুক্তিযোদ্ধা মিলনের ছেলে উজ্জ্বল এবং উত্তপল।

এ বিভাগের আরো সংবাদ
©2020 All rights reserved Daily Narayanganj
Design by: SHAMIR IT
themesba-lates1749691102