সদ্য প্রকাশিত উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি), মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের আলিম এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ সকল শিক্ষার্থী, তাদের গর্বিত অভিভাবক ও সম্মানিত শিক্ষকবৃন্দকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও উষ্ণ অভিনন্দন জানিয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) নেতা গাজী দুলাল।
এক অভিনন্দন বার্তায় তিনি কৃতী শিক্ষার্থীদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ ও সার্বিক সাফল্য কামনা করে বলেন, “এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবনের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। আজকের এই সাফল্য শিক্ষার্থীদের দীর্ঘদিনের নিরলস অধ্যবসায়, সম্মানিত শিক্ষকবৃন্দের সুনিপুণ দিকনির্দেশনা এবং অভিভাবকদের নিঃস্বার্থ আত্মত্যাগের ফসল।”
গাজী দুলাল তাঁর বক্তব্যে শিক্ষার্থীদের অনুপ্রেরণা জুগিয়ে বলেন, “তারুণ্যের মেধা, সততা ও দেশপ্রেমই একটি জাতির মূল চালিকাশক্তি। বর্তমান তথ্যপ্রযুক্তি ও মেধার যুগে নিজেদের যোগ্য नागरिक হিসেবে গড়ে তুলে তোমরাই আগামী দিনে একটি সমৃদ্ধ, মানবিক ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ বিনির্মাণে নেতৃত্ব দেবে। উচ্চশিক্ষার পথে পা বাড়ানোর পাশাপাশি তোমাদের নৈতিক মূল্যবোধ ও দেশপ্রেমে বলীয়ান হতে হবে।”
তিনি শিক্ষকদের অবদানের কথা স্মরণ করে বলেন, “শিক্ষকরা হলেন মানুষ গড়ার কারিগর। তাঁদের অক্লান্ত পরিশ্রম ও উপযুক্ত পাঠদানের ফলেই শিক্ষার্থীরা এ গৌরবময় অর্জন সম্ভব করেছে। পাশাপাশি সন্তানদের অনুপ্রেরণা ও সাহস জুগিয়ে পাশে থাকার জন্য অভিভাবকরাও সমান প্রশংসার দাবিদার।”
এদিকে যারা প্রত্যাশিত ফল অর্জন করতে পারেনি বা উত্তীর্ণ হতে পারেনি, তাদের প্রতি সমবেদনা ও উৎসাহ জানিয়ে বিএনপি নেতা গাজী দুলাল বলেন, “একটি পরীক্ষার ফলাফলই জীবনের চূড়ান্ত মানদণ্ড নয়। সাময়িক ব্যর্থতায় হতাশ না হয়ে আত্মবিশ্বাস ও নতুন উদ্যমে প্রচেষ্টা চালিয়ে গেলে নিশ্চিতভাবেই সাফল্য ধরা দেবে। প্রতিটি ব্যর্থতাই ঘুরে দাঁড়ানোর নতুন শক্তি শেখায়।”
সবশেষে তিনি উত্তীর্ণ সকল শিক্ষার্থীর সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু এবং ভবিষ্যৎ শিক্ষাজীবনে আরও বড় সাফল্য অর্জনের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।