বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে নারায়ণগঞ্জবাসীসহ সমগ্র দেশের মুক্তিকামী জনগণকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও রক্তিম অভিনন্দন জানিয়েছেন নারায়ণগঞ্জ মহানগর যুবদল নেতা মাজহারুল ইসলাম জোসেফ।
২৭ অক্টোবর যুবদলের গৌরবময় পথচলার ৪৮ বছর পূর্তি উপলক্ষে গণমাধ্যমে পাঠানো এক শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি এ অভিনন্দন জানান।
শুভেচ্ছা বার্তায় মাজহারুল ইসলাম জোসেফ বলেন, “১৯৭৮ সালের ২৭ অক্টোবর মহান স্বাধীনতার ঘোষক, বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা ও আধুনিক বাংলাদেশের রূপকার শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান উৎপাদনমুখী রাজনীতি ও যুবসমাজকে দেশ গড়ার মূল কারিগর হিসেবে গড়ে তুলতে যুবদল প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। প্রতিষ্ঠার পর থেকেই দেশপ্রেম, স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন ও মানুষের ভোটাধিকার পুনরুদ্ধারের সংগ্রামে যুবদল সবসময় রাজপথে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে এসেছে।”
তিনি আরও বলেন, “দেশনেত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার আপসহীন নেতৃত্ব এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দূরদর্শী দিকনির্দেশনায় যুবদল আজ দেশের সবচেয়ে সুসংগঠিত ও শক্তিশালী যুব শক্তিতে পরিণত হয়েছে। দীর্ঘ ১৬ বছরের ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলন ও সাম্প্রতিক রক্তক্ষয়ী জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে যুবদলের অসংখ্য নেতাকর্মী আত্মত্যাগ করেছেন, বরণ করেছেন জেল-জুলুম।”
নারায়ণগঞ্জের যুবসমাজ ও নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে জোসেফ বলেন, “ফ্যাসিবাদমুক্ত নতুন বাংলাদেশে দেশনায়ক প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ঘোষিত রাষ্ট্র সংস্কারের ৩১ দফার আলোকে একটি বৈষম্যহীন, ন্যায়ভিত্তিক ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়তে যুবসমাজকেই অগ্রণী ভূমিকা রাখতে হবে। ক্ষমতার মোহ নয়, বরং সাধারণ মানুষের আস্থা ও ভালোবাসা অর্জন করাই যুবদলের রাজনীতির মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত। অতীতে যেভাবে অন্যায়-অবিচারের বিরুদ্ধে নারায়ণগঞ্জের রাজপথে যুবদল লড়াই করেছে, আগামীতেও যেকোনো ষড়যন্ত্র মোকাবিলায় যুবদল প্রস্তুত থাকবে।”
বার্তার শেষাংশে তিনি যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে দলের প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান এবং দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামে নিহত সকল শহীদ ও পঙ্গুত্ববরণকারী নেতাকর্মীর অবদানের কথা স্মরণ করেন। একই সঙ্গে তিনি দলের সব স্তরের নেতাকর্মীদের শৃঙ্খলা বজায় রেখে দেশ পুনর্গঠনে আত্মনিয়োগ করার উদাত্ত আহ্বান জানান।