প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে পাঠানো বক্তব্যে কথনের সভাপতি দীপা নাগ তন্দ্রা বলেন, “আমাদের সমাজকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার প্রধান ভূমিকা শ্রমিকদের হাতেই। অথচ শ্রমের যথাযোগ্য মর্যাদা এই মেহনতি মানুষরা কখনোই পান না। তাঁদের জীবনমান তলানিতে, অথচ তাঁদের শ্রমেই গড়ে ওঠে সমাজের সম্পদ ও সমৃদ্ধি। হরিজন ও দলিত জনগোষ্ঠী এই বঞ্চিত ও নিপীড়িত জনগোষ্ঠীরই অংশ। কথন সামাজিক-সাংস্কৃতিক কেন্দ্র আজ তাঁদের জন্য ১০ টাকা ফি-তে যে চিকিৎসা কার্যক্রম শুরু করেছে, তা আগামী দিনেও অব্যাহত থাকবে।”
তিনি আরও বলেন, সমাজের পিছিয়ে পড়া ও বঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং তাঁদের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে কথন সামাজিক-সাংস্কৃতিক কেন্দ্র তার সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রম অব্যাহত রাখবে।