সংবাদ সম্মেলনে কবির হোসেন জানান, তাঁর মামাশ্বশুর সলিমুল্লাহর সঙ্গে একই এলাকার মৃত করিমের ছেলে মইনুদ্দিনের জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। একাধিকবার স্থানীয়ভাবে সালিস-বিচার করেও কোনো সমাধান না হওয়ায় মইনুদ্দিন নিজেই বিষয়টি মিটিয়ে দেওয়ার জন্য কবিরের শরণাপন্ন হন। পরে কবিরের হস্তক্ষেপে উভয় পক্ষ সমঝোতায় পৌঁছায় এবং গত মঙ্গলবার আড়াইহাজার সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে সলিমুল্লাহর জমি মইনুদ্দিনের নামে রেজিস্ট্রি করে দেওয়া হয়। তবে রেজিস্ট্রি অফিসে ফি দেওয়া নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে কিছুটা বাকবিতণ্ডা হয়েছিল।
এরই জের ধরে আড়াইহাজার থেকে বাড়ি ফেরার পথে পাঁচানী মসজিদ সংলগ্ন এলাকায় মইনুদ্দিনের স্ত্রী রুবি আক্তার কবির হোসেনকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করতে থাকেন। কবির এর প্রতিবাদ করলে সংবাদ পেয়ে মইনুদ্দিনের নেতৃত্বে পারভেজ ও কাউসার নামে দুই যুবক কবির হোসেনের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। এতে কবিরের বাম হাতে মারাত্মক নীলাফোলা জখম হয়।
ঘটনার পর স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি আঃ ওহাব ও আঃ বারেকসহ এলাকার মাতব্বরদের বিষয়টি জানানো হলেও কোনো সুরাহা মেলেনি। পরবর্তীতে নিরুপায় হয়ে বৃহস্পতিবার বিকেলে সাংবাদিকদের উপস্থিতিতে সংবাদ সম্মেলন করে সুষ্ঠু বিচার ও দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান ভুক্তভোগী কবির হোসেন।