সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে নারায়ণগঞ্জ মহানগরী জামায়াতে ইসলামীর আমীর মাওলানা আবদুল জব্বার বলেন, ৫ সেপ্টেম্বরের লং মার্চ বাংলাদেশের ইতিহাসে এক স্মরণীয় ও ঐতিহাসিক ঘটনার সূচনা করবে। এই কর্মসূচির মূল লক্ষ্য কেবল সরকার পতন নয়; বরং জনগণের ভোটাধিকার, মৌলিক অধিকার পুনরুদ্ধার এবং স্বৈরাচারী শাসন থেকে মুক্ত হয়ে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকলের মতপ্রকাশের সুযোগ নিশ্চিত করা। জামায়াতে ইসলামী জনগণের ওপর শাসক হয়ে নয়, বরং সেবক হয়ে কাজ করতে চায়।
লং মার্চ সুষ্ঠু ও শৃঙ্খলাবদ্ধভাবে বাস্তবায়নে যুব নেতাদের বিশেষ নির্দেশনা দিয়ে তিনি আরও বলেন চিটাগাংরোড থেকে কাঁচপুর ব্রিজ পর্যন্ত সুনির্দিষ্ট এলাকায় শৃঙ্খলার সাথে কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে। পুরো রুটকে ৭-৮টি স্পটে ভাগ করে প্রতি স্পটে মূল দায়িত্বশীল ও সহ-দায়িত্বশীলদের অধীনে প্রয়োজনীয় সকল সদস্যের দল গঠন করা হবে। লং মার্চে যেকোনো প্ররোচনা এড়িয়ে পূর্ণ শৃঙ্খলা রক্ষা করতে হবে এবং নেতৃত্বের নির্দেশ ও ‘চেইন অব কমান্ড’ কঠোরভাবে মেনে চলতে হবে।
মহানগরী জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি ও যুব বিভাগের সভাপতি মুহাম্মদ জামাল হোসাইনের সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও মহানগরী জামায়াতের নায়েবে আমীর মাওলানা আব্দুল কাইয়ুম, সেক্রেটারি ইঞ্জিনিয়ার মানোয়ার হোসাইন এবং সহকারী সেক্রেটারি এইচ এম নাসির উদ্দিনসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
সভায় বক্তারা আগামী ৫ সেপ্টেম্বরের লং মার্চকে সর্বাত্মকভাবে সফল করতে যুবসমাজকে সুসংগঠিতভাবে মাঠে থাকার আহ্বান জানান।