নারায়ণগঞ্জ ফতুল্লা থানাধীন কাশীপুর ঈদগা সংলগ্ন দারুচ্ছুন্নাহ কামিল মাদ্রাসার বিরুদ্ধে নানা প্রকার দুর্নীতি অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে । জানা গেছে এই মাদ্রাসার অধ্যক্ষের স্বেচ্ছাচারিতা ও নানা দুর্নীতি একের পর এক অনুসন্ধানে বেরিয়ে আসছে ।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে উক্ত মাদ্রাসার অধ্যক্ষ নুরুল আলম , কতিপয় শিক্ষক সহ ক্যাশিয়ার আরিফ কে নিয়ে একে অন্যের যোগসাজশে নানা রকম প্রাতিষ্ঠানিক ও আর্থিক অনিয়ম দুর্নীতি করছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে । অভিযুক্ত অধ্যক্ষ মোহাম্মদ নুরুল আলম বর্তমান নির্বাচিত কমিটিকে পাশ কাটিয়ে কমিটির অনুমোদন ছাড়া ভুয়া বিল ভাউচারের মাধ্যমে আর্থিক দুর্নীতি করে চলেছেন । ভাইস প্রিন্সিপাল মনিরুজ্জামান সহ তারা একে অপরের কু পরামর্শে সীল স্বাক্ষর ছাড়া অর্থ উন্নয়ন উপ কমিটির আহ্বায়ক জনাব হাবিবুল্লাহর স্বাক্ষর ছাড়া অর্থ ভাউচার পাস করিয়ে কৌশলে অর্থ আত্মসাৎ করছেন ।
কমিটির নব নির্বাচিত নেতৃবৃন্দরা জানিয়েছেন মাদ্রাসার গভর্নিং বডির বর্তমান সিনিয়র সহ-সভাপতি নাজিম বিশ্বাস কে অবহিত না করে দুর্নীতিবাজ অধ্যক্ষ ও তার দোসরা খেয়াল খুশিমত নানা কার্যক্রম চালাচ্ছে অথচ এই অধ্যক্ষ ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের চাটুকার দোসর ছিল এই অধ্যক্ষকে ৫ আগস্ট এর পর এলাকাবাসী মাদ্রাসা থেকে বিতাড়িত করেছিল । মাত্র কয়েক মাসের মাথায় এই মাদ্রাসার সিনিয়র সহ সভাপতি নাজিম বিশ্বাস এই অধ্যক্ষ প্রিন্সিপাল কে তার অসহায়ত্ব দেখে তাকে বিভিন্ন কৌশলে মানুষ কে বুঝিয়ে আবারো দারুসচ্ছুন্নাহ কামিল মাদ্রাসায় পুনঃবহাল করেন । কিন্তু এই অধ্যক্ষ দ্রুত অতীত ভুলে গিয়ে এখন নব নির্বাচিত কমিটির নাকের ডগায় তার দোসরদের নিয়ে মাদ্রাসার বাৎসরিক নতুন বই নির্দিষ্ট পাবলিশার্স দিয়ে পাঠ্য করে আর্থিক সুবিধা নিয়ে বই বাণিজ্য করছে ।
বিনা ভাউচারে অর্থ কেলেঙ্কারি করছে তিনি মাদ্রাসার অর্থ কমিটির অনুমতি না নিয়ে আলোচনা ছাড়াই কামিল , ফাজিল , আলিম শ্রেণীর নির্ধারিত বেতন ফি ছাড়া উপটোকনে ভর্তি করানো হচ্ছে আর টাকা তারা পকেটে নিচ্ছে । খোঁজ নিয়ে জানা গেছে এই মাদ্রাসায় কামিল ও ফাজিলের কোন ক্লাস হয় না । মাদ্রাসা গভর্নিং বডির সদস্য আলামিন ও অর্থ উপ কমিটির জনাব, হাবিবুল্লাহ জানিয়েছেন মাদ্রাসার কাঙ্ক্ষিত অনেক জমি না থাকা সত্ত্বেও ছোট খাটো বিষয়ে প্রতিষ্ঠানের অর্থ বিনা প্রয়োজনে যেখানে সেখানে প্রিন্সিপালের নামে ব্যয় করে থাকেন ।
দারুচ্ছুন্নাহ কামিল মাদ্রাসার গুরুত্বপূর্ণ হিসাব গুলি মাদ্রাসার স্বার্থে কখনোই রেজিস্টার খাতায় সম্পূর্ণ হিসাব গুলো সংরক্ষণ করে রাখা হয় না । ফলে এসব অনিয়মের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য জেলা প্রশাসনের ও ইউএনও মহোদয়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন সচেতন মহল ।