বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৫৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ফতুল্লায় জামায়াতের উদ্যোগে ডেঙ্গু প্রতিরোধে মশক নিধন কর্মসূচি আমরা সবাই ভাই ভাই, সম্প্রীতির বাংলাদেশ গড়তে আমরা সবসময় আপনাদের পাশে আছি: রাকিব না’গঞ্জ জেলা পূজা উদযাপন ফ্রন্টের শারদীয় শুভেচ্ছা বিনিময় ও আর্থিক অনুদান বিতরণ অনুষ্ঠিত  বিসিকে ফকির এ্যাপারেলসে উৎসবমুখর পরিবেশে শ্রমিক অংশগ্রহণকারী কমিটি নির্বাচন সম্পন্ন অচল রাস্তা ও জলাবদ্ধতায় দুর্ভোগে ফতুল্লার ৯ নম্বর ওয়ার্ডবাসী; সংস্কারের আশ্বাসের তিন মাসেও হয়নি দৃশ্যমান অগ্রগতি সেলিনা হাসপাতালের চেয়ারম্যান আলীনূর শরীফ শামীমের শারীরিক খোঁজ নিলেন বিপিএইচসিডিএ নেতৃবৃন্দ এসপি অফিস থেকে চানমারী পর্যন্ত লিংক রোডে ফের পরিচ্ছন্নতা অভিযান: ময়লা ফেললে কঠোর ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি ডিসির হকারদের উচ্ছেদ নয়, শৃঙ্খলা ও জনভোগান্তি কমাতেই উদ্যোগ: চাঁদা আদায়ের অভিযোগ অস্বীকার এলাকাবাসীর দীর্ঘ ৮ বছর বিরতির পর নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলায় আবারও অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে কাব ক্যাম্পুরী ‘কথা নয়, এখন কাজের পালা’: অবৈধ অটো ও ফুটপাত মুক্ত করতে নাসিক প্রশাসকের কঠোর বার্তা

নারায়ণগঞ্জ চেম্বারের পরিচালক সোহাগকে অপহরণ মূল পরিকল্পনাকারী জিতুকে পুলিশ ধরতে পারেনি হুমকির আতঙ্কে পরিবার

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ২১ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ৫৯১ 🪪

নারায়ণগঞ্জ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির পরিচালক ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মীম শরৎ গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ সোহাগকে অপহরণ মামলার মূল পরিকল্পনাকারী জিতুকে পুলিশ ধরতে না পারলেও ঐ অপরাধীদের মধ্যে দুই জন কে আটক করেছে পুলিশ।

মামলার তদন্তে তাঁর নিজ প্রতিষ্ঠানের দুই কর্মচারী—রতন ও সাব্বিরকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তদন্ত সংশ্লিষ্টদের দাবি, অপহরণের পুরো পরিকল্পনায় তারা সরাসরি জড়িত ছিলেন। তবে মামলার প্রধান আসামি আল আমিন ওরফে জিতু এখনো ধরাছোঁয়ার বাইরে রয়েছে।

অভিযোগ রয়েছে, চার আসামি আদালত থেকে জামিনে মুক্ত হয়ে বেরিয়ে এসে জিতুর সঙ্গে পরামর্শ করে বিভিন্ন অজ্ঞাতনামা নম্বর থেকে ব্যবসায়ী মোঃ সোহাগ ও তাঁর পরিবারকে নিয়মিত প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে আসছে। এদিকে তদন্তে বেরিয়ে এসেছে, অপহরণ পরিকল্পনার ভেতরের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ও গতিবিধি সরবরাহ করেছিল ভুক্তভোগীর অত্যন্ত কাছের দুই অফিস স্টাফ—রতন ও সাব্বির। তারা মীম শরৎ গ্রুপে কর্মরত ছিলেন এবং ভুক্তভোগীর দৈনন্দিন চলাচল ও সময়সূচি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য অপহরণকারীদের কাছে পৌঁছে দেন বলে পুলিশের ধারণা। সর্বশেষ পুলিশ অভিযান চালিয়ে রতন ও সাব্বিরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশ জানায়, তাদের জিজ্ঞাসাবাদে অপহরণ পরিকল্পনার আরও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়ার আশা করা হচ্ছে। ভুক্তভোগী মোঃ সোহাগ জানিয়েছেন, একের পর এক হুমকির কারণে তিনি ও তাঁর পরিবার চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। একজন প্রতিষ্ঠিত শিল্পোদ্যোক্তা ও চেম্বার পরিচালক হিসেবে তাঁর নিরাপত্তা ঝুঁকিতে পড়া শুধু ব্যক্তিগত নয়, বরং ব্যবসায়িক পরিবেশের জন্যও উদ্বেগজনক। তিনি অপহরণ মামলার মূলহোতা জিতুকে দ্রুত গ্রেপ্তার, জামিনে মুক্ত চার আসামির জামিন বাতিল করে পুনরায় কারাগারে পাঠানো এবং হুমকিদাতাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জোর দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে আইন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ভুক্তভোগী ও সাক্ষীদের হুমকি দেওয়া জামিনের শর্তের গুরুতর লঙ্ঘন এবং এ ধরনের ঘটনায় জামিন বাতিলের আইনি ভিত্তি রয়েছে। ফতুল্লা থানা পুলিশ জানিয়েছে, মামলাটি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করা হচ্ছে এবং পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তারের পাশাপাশি হুমকির বিষয়গুলো খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

উল্লেখ্য জিডি ও মামলার নথি অনুযায়ী, গত ১ জুন ২০২৫ তারিখে সরকারি তোলারাম কলেজের সামনে থেকে মোঃ সোহাগকে অপহরণ করে একটি সংঘবদ্ধ চক্র। এ ঘটনায় তাঁর স্ত্রী মোসাঃ তানিয়া আহম্মেদ বাদী হয়ে ফতুল্লা থানায় অপহরণ মামলা দায়ের করেন (মামলা নং–১২(০৬)২৫, ধারা–৩৬৪/৩৪ দণ্ডবিধি)। মামলার তদন্তে পুলিশ ইতোমধ্যে ২ নম্বর আসামি মোঃ সাকিব হোসেন, ৩ নম্বর আসামি মোঃ কবির হালদার, ৪ নম্বর আসামি মোঃ ছাহাদ এবং ৫ নম্বর আসামি ইমরান হোসেন মোহনকে গ্রেপ্তার করে আদালতে সোপর্দ করে। তারা আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় দেওয়া জবানবন্দিতে ১ নম্বর আসামি আল আমিন ওরফে জিতুকে অপহরণের মূল পরিকল্পনাকারী হিসেবে স্বীকার করেন।

এ বিভাগের আরো সংবাদ
©2020 All rights reserved Daily Narayanganj
Design by: SHAMIR IT
themesba-lates1749691102