নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার সুহা তাবিল স্বাক্ষরিত ২৯ সেপ্টেম্বরের এক দাপ্তরিক চিঠিতে এ সংক্রান্ত নির্দেশনা জারি করা হয়। চিঠিটি ইতোমধ্যে নারায়ণগঞ্জের পুলিশ সুপার (জেলা বিশেষ শাখা)-এর কাছে পাঠানো হয়েছে।
প্রশাসনের চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, জেলা পুলিশ সুপারের বিশেষ শাখা (ডিএসবি) এবং সরকারের সংশ্লিষ্ট গোয়েন্দা সংস্থার অনুকূল তদন্ত প্রতিবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিধিমোতাবেক হলফনামা গ্রহণ করে মোহাম্মদ সোহাগের আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্সের স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করা হয়েছে। পাশাপাশি আইনানুগ প্রক্রিয়ায় লাইসেন্সধারীর অনুকূলে ফতুল্লা থানায় জমা রাখা অস্ত্র দুটি হস্তান্তরের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশক্রমে অনুরোধ জানানো হয়।
জেলা প্রশাসনের নথি অনুযায়ী, ব্যবসায়ী সোহাগের পিস্তলের লাইসেন্স নম্বর ৩৬৯/২০২২ (এনপিবি পিস্তল নং ২২২৫১৬) এবং শটগানের লাইসেন্স নম্বর ৬৬৯/২০২২ (অস্ত্র নং ২১-এএস২০০৯৫)। সরকারি নির্দেশনার পরিপ্রেক্ষিতে গত ২০২৪ সালের ৩১ আগস্ট অস্ত্র দুটি ফতুল্লা মডেল থানায় জমা দেওয়া হয়েছিল।
এদিকে যথাযথ প্রক্রিয়া ও সুষ্ঠু তদন্ত শেষে নিজের বৈধ অস্ত্রের লাইসেন্স পুনর্বহাল ও অস্ত্র হস্তান্তরের আদেশে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন আলহাজ মোহাম্মদ সোহাগ।
এক প্রতিক্রিয়ায় তিনি বলেন, “সকল আইনি নিয়ম মেনে, সরকারি ও গোয়েন্দা সংস্থার চুলচেরা তদন্ত শেষে আমার বৈধ অস্ত্রের স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করা হয়েছে। এতে সত্যের জয় হয়েছে। এ জন্য আমি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার, নারায়ণগঞ্জের জেলা প্রশাসক ও জেলা পুলিশ প্রশাসনের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানাই। পাশাপাশি এ প্রক্রিয়ায় সার্বিক সহযোগিতার জন্য নারায়ণগঞ্জ-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও নারায়ণগঞ্জ চেম্বারের সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান দিপু ভাইয়ের প্রতিও বিশেষ ধন্যবাদ জ্ঞাপন করছি।”