সভায় সিদ্ধিরগঞ্জের উন্নয়ন, নাগরিক সেবা, জননিরাপত্তা, পরিচ্ছন্ন পরিবেশ, সামাজিক শৃঙ্খলা এবং জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন বক্তারা।
আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ও নারায়ণগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রশাসক অধ্যাপক মামুন মাহমুদ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক মামুন মাহমুদ বলেন, একটি এলাকার উন্নয়ন শুধু অবকাঠামোগত কর্মকাণ্ডের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। নাগরিক নিরাপত্তা, পরিচ্ছন্ন পরিবেশ, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, সামাজিক সম্প্রীতি এবং মানুষের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করাও উন্নয়নের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। সিদ্ধিরগঞ্জকে আরও সুন্দর, সমৃদ্ধ ও বসবাসযোগ্য করে গড়ে তুলতে স্থানীয় জনগণ, রাজনৈতিক নেতাকর্মী, জনপ্রতিনিধি ও সামাজিক নেতৃত্বকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, এলাকার বিদ্যমান সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে বাস্তবসম্মত সমাধানে সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। পারস্পরিক সহযোগিতা ও ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টার মাধ্যমে সিদ্ধিরগঞ্জকে একটি পরিকল্পিত ও জনবান্ধব এলাকায় পরিণত করা সম্ভব।
অনুষ্ঠানে প্রধান মেহমান হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক ও নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন। প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য দেন জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম নারায়ণগঞ্জ জেলার আহ্বায়ক মাওলানা ফেরদাউসুর রহমান।
সভায় সভাপতিত্ব করেন সিদ্ধিরগঞ্জের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদপ্রার্থী মাওলানা জাকারিয়া আল ফরহাদ। অনুষ্ঠান পরিচালনা ও সঞ্চালনা করেন জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ, সিদ্ধিরগঞ্জ থানার সাধারণ সম্পাদক মাওলানা সাজ্জাদ হোসাইন।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির সাবেক ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক মনিরুল ইসলাম রবি, নারায়ণগঞ্জ জেলা জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের সদস্য সচিব মাওলানা মাসরুর আহমদ ভূঁইয়া, মাওলানা তাজুল ইসলাম আব্বাস, মুফতি মাসউদুর রহমান, মাওলানা সালাহ উদ্দিন, নারায়ণগঞ্জ জেলা শ্রমিক দলের আহ্বায়ক এস এম আসলাম, জেলা বিএনপির সহ-স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক হাজী কবির হোসেন, জেলা যুবদলের সাবেক সহ-সাধারণ সম্পাদক মাহবুব হোসেন, সিদ্ধিরগঞ্জ থানা শ্রমিক দলের আহ্বায়ক টি.এইচ. তোফা, ৪ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির দপ্তর সম্পাদক নাছির উদ্দীন এবং সাধারণ সম্পাদক নূর হোসেন হীরা।
আলোচনা সভায় সিদ্ধিরগঞ্জের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার গণ্যমান্য ব্যক্তি ও বিপুলসংখ্যক স্থানীয় বাসিন্দা অংশ নেন। বক্তারা এলাকার বিদ্যমান সমস্যা চিহ্নিত করে তা সমাধানে সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি, নাগরিক অংশগ্রহণ এবং পারস্পরিক সহযোগিতা জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।