জুলাই গণঅভ্যুত্থানের আহত জুলাই যোদ্ধা ও যুবদলের একজন ক্ষুদ্র কর্মী মোঃ হৃদয়ের অসুস্থতার খবর পেয়ে তাঁর শারীরিক অবস্থা, চিকিৎসা ও সার্বিক খোঁজখবর নিতে দ্রুত ছুটে যান ছাত্রদল নেতা এবং ‘আমরা জুলাই যোদ্ধা’ কমিটির আহ্বায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ।
মেহেদী হাসান মিরাজের উপস্থিতিতে মোঃ হৃদয় জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় তিনি কীভাবে আহত হয়েছেন, ঘটনার দিন, তারিখ, স্থান ও সেই সময়ের বিস্তারিত বিবরণ তুলে ধরেন। একই সঙ্গে তিনি তাঁর বর্তমান শারীরিক অবস্থা, চিকিৎসা, দীর্ঘদিনের দুঃখ-কষ্ট এবং একজন আহত জুলাই যোদ্ধা হিসেবে তাঁর প্রত্যাশার কথাও তুলে ধরেন। তিনি বলেন, “আমি একজন যুবদলের কর্মী।”
মোঃ হৃদয়ের মুখ থেকে তাঁর কষ্ট ও সংগ্রামের কথা মনোযোগ দিয়ে শোনেন মেহেদী হাসান মিরাজ। তিনি তাঁর শারীরিক অবস্থা ও চিকিৎসার বিষয়ে খোঁজখবর নেন এবং যেকোনো প্রয়োজনে তাঁর পাশে থাকার আশ্বাস দেন।
এ সময় মেহেদী হাসান মিরাজ বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের আহত যোদ্ধাদের প্রতি আমাদের দায়িত্ব কোনো দলীয় পরিচয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। একজন আহত জুলাই যোদ্ধা তিনি যুবদল, ছাত্রদল, বিএনপি কিংবা অন্য কোনো রাজনৈতিক পরিচয়ের হোন—তিনি সর্বপ্রথম একজন জুলাই যোদ্ধা। তাঁর চিকিৎসা, পুনর্বাসন, সম্মান, স্বীকৃতি ও কল্যাণ নিশ্চিত করা রাষ্ট্র ও আমাদের সবার দায়িত্ব।
তিনি আরও বলেন, ৫ আগস্ট-পরবর্তী সময়ে অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে আমরা দেখেছি, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে যারা আহত হয়েছিলেন, তাদের অনেকেই অবহেলা ও বৈষম্যের শিকার হয়েছেন। কিন্তু বর্তমান সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান দল, মত কিংবা ব্যক্তিগত পরিচয়ের ঊর্ধ্বে উঠে সারা বাংলাদেশের সকল আহত জুলাই যোদ্ধার পাশে থাকার যে মানবিক অঙ্গীকার করেছেন, আমরা সেই অঙ্গীকারে বিশ্বাস ও আস্থা রাখি।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের নেতৃত্বে আহত জুলাই যোদ্ধাদের সুচিকিৎসা, পুনর্বাসন, সম্মান, স্বীকৃতি এবং তাঁদের কল্যাণের জন্য যা যা করণীয়—প্রতিটি বিষয় গুরুত্বের সঙ্গে বাস্তবায়ন করা হবে, ইনশাআল্লাহ। শুধু যুবদল বা ছাত্রদল নয়, দল-মত নির্বিশেষে সারা বাংলাদেশের প্রতিটি আহত জুলাই যোদ্ধার অধিকার ও কল্যাণ নিশ্চিত করাই হবে আমাদের প্রত্যাশা।
মেহেদী হাসান মিরাজ আরও বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বর্তমানে দায়িত্ব গ্রহণের একেবারে প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছেন। তাই তাঁকে প্রয়োজনীয় সময় দিতে হবে, ধৈর্য ধরতে হবে এবং আস্থা রাখতে হবে। কারও অপপ্রচার, গুজব কিংবা বিভ্রান্তিকর কথায় কান না দিয়ে সরকারের কার্যক্রম ও বাস্তব উদ্যোগের ওপর বিশ্বাস রাখতে হবে।
আমরা বিশ্বাস করি, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের আহত যোদ্ধাদের জন্য দেওয়া মানবিক আশ্বাস শুধু কথার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না; বরং তার প্রতিটি অক্ষর বাস্তবায়নের মধ্য দিয়ে আহত জুলাই যোদ্ধাদের জীবনে স্বস্তি, মর্যাদা ও নিরাপত্তা ফিরে আসবে—ইনশাআল্লাহ।