একই সঙ্গে তিনি সারাদেশে ভূতুড়ে বিদ্যুৎ বিল এবং প্রি-পেইড মিটারের নামে গ্রাহকদের ওপর অতিরিক্ত ভ্যাট ও ফি চাপিয়ে হয়রানির তীব্র প্রতিবাদ ও ক্ষোভ জানিয়েছেন ।
ঘটনার বিবরনে জানা যায় শুক্রবার (৭ আগস্ট) সকালে বন্দর উপজেলার চাপাতলি এলাকায় একটি আবাসিক ভবনে জমে থাকা গ্যাস থেকে অগ্নিকাণ্ডের এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে। দগ্ধদের দ্রুত উদ্ধার করে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়েছে।
দুর্ঘটনার পর এক বিবৃতিতে মাওলানা আবদুল জব্বার বলেন, তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষের চরম অবহেলা ও তদারকির অভাবেই বারবার এ ধরনের মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটছে। অবিলম্বে দগ্ধদের সুচিকিৎসা নিশ্চিত করা এবং ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান তিনি।
তিনি আরো বলেন, “বর্তমানে তিতাস গ্যাসের ঝুঁকিপূর্ণ নেটওয়ার্ক ও চরম অব্যবস্থাপনার কারণে সাধারণ মানুষকে প্রতিনিয়ত জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বসবাস করতে হচ্ছে। একদিকে গ্যাস লিকেজে প্রাণহানি ও দগ্ধ হওয়ার ঘটনা ঘটছে, অন্যদিকে বিদ্যুৎ খাতে চলছে চরম নৈরাজ্য। সারাদেশে ভূতুড়ে বিদ্যুৎ বিল তৈরি করে মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্তের পকেট কাটা হচ্ছে।”
প্রি-পেইড মিটারের ভোগান্তি তুলে ধরে তিনি উল্লেখ করেন, “প্রি-পেইড মিটার বসিয়ে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ তো দেওয়া সম্ভবই হয়নি, উল্টো মিটারের বাড়তি ভাড়া, ভ্যাট ও বিভিন্ন অযৌক্তিক চার্জ যুক্ত করে সাধারণ গ্রাহকদের পকেট খালি করা হচ্ছে। এটি সেবার নামে এক ধরনের প্রাতিষ্ঠানিক হয়রানি।”
অবিলম্বে বিদ্যুৎ বিলের নামে ভূতুড়ে চার্জ ও প্রি-পেইড মিটারের অতিরিক্ত ভ্যাট প্রত্যাহার না করলে সাধারণ মানুষের স্বার্থে কঠোর সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলার হুঁশিয়ারি।