নারায়ণগঞ্জের মসজিদ ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর পরিচালনা কমিটিকে সম্পূর্ণ রাজনৈতিক প্রভাব ও দলীয়করণমুক্ত রাখার আহ্বান জানিয়েছেন জাতীয় ছাত্রশক্তি নারায়ণগঞ্জ মহানগরের সদস্য সচিব মোঃ জহিরুল ইসলাম। তিনি স্পষ্ট ঘোষণা দিয়েছেন, ধর্মীয় ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কোনো রাজনৈতিক দলের খবরদারি বরদাশত করা হবে না।
এক বিবৃতিতে জহিরুল ইসলাম তাঁর দৃঢ় অবস্থান ব্যক্ত করে বলেন, “আমরা এমন একটি সমাজ চাই যেখানে মসজিদ এবং স্কুল কমিটিগুলো হবে সম্পূর্ণ রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত। প্রতিটি মসজিদের কমিটি গঠন করবেন ওই এলাকার স্থানীয় বাসিন্দা, নিয়মিত মুসল্লি এবং যারা মসজিদের প্রতিষ্ঠাকালীন সময় থেকে আজ পর্যন্ত নিঃস্বার্থভাবে খেদমত করে আসছেন। এখানে এনসিপি, বিএনপি, জামায়াত কিংবা অন্য কোনো দলের কোনো ধরনের রাজনৈতিক প্রভাব থাকতে পারবে না।”
মসজিদ কমিটির নেতৃত্বের যোগ্যতা নির্ধারণে একটি বিশেষ শর্তের ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, “মসজিদ কমিটির সভাপতি হওয়ার যোগ্য কেবল তিনিই, যিনি ইমামের অনুপস্থিতিতে ইমামতি করার ক্ষমতা রাখেন। যার মধ্যে ধর্মীয় ন্যূনতম জ্ঞান ও আমল নেই, তাকে কেবল রাজনৈতিক পরিচয়ে কমিটির নেতৃত্বে বসানো চলবে না।”
জহিরুল ইসলাম তাঁর এই অবস্থানকে ‘লাউড অ্যান্ড ক্লিয়ার’ (Loud and Clear) উল্লেখ করে বলেন, “আমার এলাকা এবং অঞ্চলে আমি যেকোনো মূল্যে এই নীতি বাস্তবায়ন করব। কোনো রাজনৈতিক শক্তিকে ধর্মের পবিত্র স্থানে হস্তক্ষেপ করতে দেওয়া হবে না।” একইসাথে তিনি সচেতন নাগরিকদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, “আপনারা নিজ নিজ এলাকার দায়িত্ব নিন। সামাজিক ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে রাজনীতির ঊর্ধ্বে রাখুন।”
জাতীয় ছাত্রশক্তির এই নেতার এমন সাহসী ও সময়োপযোগী বক্তব্য স্থানীয় পর্যায়ে বেশ সাড়া ফেলেছে। সচেতন মহলের মতে, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে প্রকৃত যোগ্য ও ধর্মপ্রাণ ব্যক্তিদের নেতৃত্ব নিশ্চিত করা গেলে সামাজিক শৃঙ্খলা ও পবিত্রতা রক্ষা পাবে।