গত ২৭ সেপ্টেম্বর দেওয়া এই আবেদনের অনুলিপি নারায়ণগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ এবং চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের কার্যালয়েও পাঠানো হয়েছে।
লিখিত আবেদনে ব্যবসায়ী আলহাজ্ব মোহাম্মদ সোহাগ উল্লেখ করেন, তিনি ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন স্থানে সুনামের সাথে একাধিক ব্যবসা পরিচালনা করে আসছেন। গত ১ জুন একদল সংঘবদ্ধ দুর্বৃত্ত তাঁকে পরিকল্পিতভাবে অপহরণ করে বিপুল অঙ্কের মুক্তিপণ দাবি করে। পরবর্তীতে পরিবারের সদস্যদের তাৎক্ষণিক তৎপরতা এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর আন্তরিক সহযোগিতায় তিনি দুর্বৃত্তদের হাত থেকে জীবিত উদ্ধার হন।
এ ঘটনায় তাঁর স্ত্রী বাদী হয়ে ফতুল্লা থানায় একটি অপহরণ মামলা দায়ের করেন। পুলিশ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত শেষে সত্যতা পায় এবং অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করে। গত ১৪ সেপ্টেম্বর নারায়ণগঞ্জের আমলি আদালত-২ পুলিশের দাখিলকৃত চার্জশিটটি গ্রহণ করেন। বর্তমানে মামলাটি শুনানির জন্য পরবর্তী বিচারিক আদালতে বদলির অপেক্ষায় রয়েছে।
ব্যবসায়ী সোহাগ তাঁর আবেদনে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে অভিযোগ করেন, ঘটনার পর পুলিশ মামলার কয়েকজন আসামিকে গ্রেপ্তার করলেও বর্তমানে তারা জামিনে মুক্ত রয়েছে। কারাগার থেকে বের হয়ে আসামিরা আরও বেপরোয়া রূপ ধারণ করেছে। তারা মামলা তুলে নেওয়ার জন্য বাদী ও তাঁর পরিবারকে ক্রমাগত ভয়ভীতি ও হুমকি প্রদর্শন করে আসছে। জামিনে থাকা আসামিরা যেকোনো সময় তাঁর ও তাঁর পরিবারের বড় ধরনের ক্ষতিসাধন করতে পারে বলে তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করছেন।
আবেদনকারী ব্যবসায়ী নেতা জানান, বিচার প্রক্রিয়ায় দীর্ঘসূত্রতা সৃষ্টি হলে আসামিরা আরও সুযোগ পাবে এবং তাঁর পরিবারের নিরাপত্তা চরম ঝুঁকির মুখে পড়বে। তাই ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা এবং জীবনের নিরাপত্তা নিশ্চিতে মামলাটি দ্রুত বিচারিক নিষ্পত্তির লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণে তিনি আইন সচিবের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।