নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য আজহারুর ইসলাম মান্নান এবং তার রাজনৈতিক সচিব পুত্র খাইরুল ইসলাম সজীবের ছত্রছায়ায় এবং সোনারগাঁ উপজেলা বিএনপির মৎস বিষয়ক সম্পাদক ছানাউল্লাহ প্রধান এবং নোয়াগাঁও ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শিশিরের শেল্টারে নোয়াগাঁও ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক পার্টির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আরমান এবং জাতীয় পার্টির নেতা জুলহাস ওই এলাকায় ড্রেজার ব্যবসা পরিচালনা করছেন।
স্থানীয় সূত্র নিশ্চিত করেছে, অবৈধ ড্রেজার ব্যবসাকে বৈধতা দিতে নিয়মিত চাঁদার বিনিময়ে শেল্টার দিয়ে যাচ্ছেন সোনারগাঁ উপজেলা বিএনপির মৎস বিষয়ক সম্পাদক ছানাউল্লাহ প্রধান এবং নোয়াগাঁও ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শিশির।
বিএনপি নেতা ছানাউল্লাহ প্রধান এবং শিশির বালির প্রতি ফুটে চাঁদা আদায়ের মাধ্যমে নোয়াগাঁও ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবকপার্টির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আরমান এবং জাতীয় পার্টি নেতা জুলহাসকে শেল্টার দিচ্ছেন।
এছাড়া সোনারগাঁ উপজেলা প্রশাসনের কোন অনুমতি ছাড়াই নোয়াগাঁও ইউপির গুরুত্বপূর্ণ সড়ক কেঁটে এই অবৈধ ড্রেজার পাইপ নিয়ে ব্যবসা পরিচালনা করছেন। এতে করে রাস্তা ভেঙে ব্যাপক জনদুর্ভোগের সৃষ্টি হতে পারে। এদিকে এসকল আওয়ামীলীগ দোসররা বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের একাধিক হত্যা মামলার আসামী।
কিন্তু এখনো অধরা থেকে যাচ্ছেন এসকল দোসররা প্রশাসনকে ম্যানেজ করে। নোয়াগাঁও ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবকপার্টির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আরমান এবং জাতীয় পার্টি নেতা জুলহাস খোদ নিজেই এলাকাবাসীর মধ্যে চাউর করে বেড়ায় স্থানীয় তাঁলতলা ফাঁড়ির আইসিদের ম্যানেজ করেই তারা গ্রেফতার এড়িয়ে এলাকায় বহাল তবিয়তে থাকেন।
এদিকে আরমানের বিরুদ্ধে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের হত্যা মামলাগুলোর মধ্যে সোনারগাঁ থানা বাদী কুসুম আসামী-১২১,আড়াইহাজার থানার আসামী-১৩৭। এছাড়াও সোনারগাঁ থানার আরও একটি হত্যা মামলার আসামী। অপরদিকে জুলহাস কাঁচপুরে একটি হত্যা মামলার আসামী-১৭৫।
এছাড়াও সোনারগাঁ থানার আরও দুটি হত্যা মামলার আসামী জুলহাস। আওয়ামীলীগ দোসর হিসেবে বিবেচিত নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনের জাতীয় পার্টির সাবেক এমপি লিয়াকত হোসেন খোকার আস্থাভাজন ছিলেন আরমান,জুলহাস। এমনকি লিয়াকত হোসেন খোকার লাঙ্গল মার্কার নির্বাচনে ব্যাচ লাগিয়ে নোয়াগাঁও ইউনিয়নে দায়িত্ব পালনসহ তৎকালীন সময়ের আওয়ামীলীগের চেয়ারম্যান সামসুল ইসলাম ভূইয়া একাধিক আওয়ামীলীগ নেতার সাথে মিশে অপকর্ম করে বেড়াতেন। আওয়ামীলীগ পতনের পর ২০২৪ সালের ৫ই আগস্টের পরই তারা নব্য বিএনপি সাঁজতে থাকেন। যেখানে তাদের সহযোগী হয়ে উঠেন সোনারগাঁ উপজেলা বিএনপির মৎস বিষয়ক সম্পাদক ছানাউল্লাহ প্রধান এবং নোয়াগাঁও ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শিশির।
তাদের ব্যতীত নোয়াগাঁও ইউনিয়নের বিএনপির একাধিক নেতাদের সাথে সখ্যতা ঘুড়ে তুলে ফের নোয়াগাঁও ইউনিয়নের তাদের অবৈধ সকল কার্যক্রম চালাতে থাকেন। এদিকে তাদের অপকর্মের বৈধতা পেতে প্রতিনিয়ত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনের বর্তমান সাংসদ আজহারুল ইসলাম মান্নান এবং তার পুত্র খাইরুল ইসলাম সজীবের সাথে এমপির বাসভবনসহ বিভিন্ন জায়গায় ছবি তুলে সেই ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উপস্থাপন করে যাচ্ছেন।
এ বিষয়ে নোয়াগাঁও ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক পার্টির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আরমান যোগাযোগ করা হলে তার সাথে সংযোগ স্থাপন করা সম্ভব হয়নি।