নারায়ণগঞ্জ মহানগরী জামায়াতের আমীর আবদুল জব্বর এবং জেলা জামায়াতের আমীর আলহাজ্ব মমিনুল হক সরকার নিহতদের পরিবারের সদস্যদের সাথে সাক্ষাৎ করেন। এ সময় তারা শোকাহত পরিবারের সদস্যদের সান্ত্বনা দেন, গভীর সমবেদনা জানান এবং নিহতদের রুহের মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া মুনাজাত করেন।
অগ্নিকাণ্ডের এই মর্মান্তিক ঘটনায় নিহতরা হলেন ফাহিম (২৭): পিতা মনির হোসেন। (বাসিন্দা: আলীরটেক ক্রোকের চর, নারায়ণগঞ্জ সদর) নুর মোহাম্মদ (৫৫): তিনি মৃত্যুকালে দুই মেয়ে ও এক ছেলে রেখে গেছেন। (বাসিন্দা: আলীরটেক ক্রোকের চর) আপন (২১): পিতা আলী মিয়া। তিনি দুই ভাই ও এক বোনের ভাই ছিলেন। (বাসিন্দা: আলীরটেক ক্রোকের চর) ফয়সাল (২১): পিতা ফারুক। তিনি এক বোনের ভাই ছিলেন। (বাসিন্দা: আলীরটেক ক্রোকের চর) শাহিন (২৮): পিতা আক্তার হোসেন। (বাসিন্দা: রামনগর, বক্তাবলী)
পরিবারগুলোর সাথে সাক্ষাৎকালে জামায়াত নেতৃবৃন্দ বলেন, “জীবিকার তাগিদে সুদূর প্রবাসে গিয়ে এভাবে আগুনে পুড়ে প্রাণ হারানোর ঘটনা অত্যন্ত বেদনাদায়ক ও হৃদয়বিদারক। এই অপূরণীয় ক্ষতি সহজে কাটিয়ে ওঠার নয়।” নেতৃবৃন্দ শোকসন্তপ্ত পরিবারগুলোকে ধৈর্য ধারণের আহ্বান জানান এবং যেকোনো প্রয়োজনে জামায়াতে ইসলামী তাদের পাশে থাকবে বলে আশ্বাস প্রদান করেন।
সাক্ষাৎকালে জেলা শূরা সদস্য ও ফতুল্লা পশ্চিম থানা আমীর মাওলানা মুহাম্মদ নূরুল হক।
আলীরটেক ইউনিয়ন জামায়াতের সভাপতি মুরাদ হোসেন, আলীরটেক ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী এম এ আজিজ, বক্তাবলী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী মাওলানা আবু বক্কর সহ নারায়ণগঞ্জ মহানগর ও জেলা জামায়াতের স্থানীয় অন্যান্য নেতৃবৃন্দ ও কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
প্রবাসীদের এমন আকস্মিক মৃত্যুতে পুরো আলীরটেক ও বক্তাবলী এলাকায় গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।