মহান স্বাধীনতার ঘোষক, বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবর্তক ও আধুনিক বাংলাদেশের স্থপতি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বীর উত্তম-এর ৪৫তম শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষে নারায়ণগঞ্জে আলোচনা সভা, দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (১০ জুন) বাদ আছর নগরীর ডিআইটি কাদেরিয়া তৈয়বীয়া কামিল মাদ্রাসা সংলগ্ন সড়কে এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
নারায়ণগঞ্জ মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক মোশাররফ হোসেনের উদ্যোগে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট আবু আল ইউসুফ খান টিপু।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে অ্যাডভোকেট টিপু বলেন, “শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ছিলেন এক ক্ষণজন্মা রাষ্ট্রনায়ক। তিনি ধ্বংসস্তূপ থেকে আধুনিক বাংলাদেশ বিনির্মাণ করেছিলেন এবং বহুদলীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার মাধ্যমে মানুষের বাক-স্বাধীনতা ফিরিয়ে দিয়েছিলেন। তাঁর প্রবর্তিত ১৯-দফা কর্মসূচি আজও এদেশের অর্থনৈতিক মুক্তির মূল চালিকাশক্তি। শহীদ জিয়ার আদর্শকে ধারণ করেই আমাদের আগামীর সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে হবে।”
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, ১৪নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি দিদার খন্দকার এবং ১৬নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাহাবুব,শহীদ হোসেন, যুবদল নেতা টিটু, জাহাঙ্গীর হোসেনসহ প্রমুখ।
আয়োজক মোশাররফ হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সভায় বক্তারা শহীদ জিয়ার বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক ও কর্মময় জীবনের বিভিন্ন দিক তুলে ধরে গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। তারা বলেন, জিয়াউর রহমান কেবল একজন সেনাপতি বা রাষ্ট্রপতি ছিলেন না, তিনি ছিলেন এদেশের সাধারণ মানুষের ‘রাখাল রাজা’।
আলোচনা সভা শেষে এক বিশেষ দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। মোনাজাতে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করা হয়। একই সাথে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনা এবং প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সুস্বাস্থ্য ও সাফল্য কামনা করে বিশেষ প্রার্থনা করা হয়।
দোয়া শেষে উপস্থিত কয়েকশ’ সাধারণ মানুষ ও দুস্থদের মাঝে তবারক বিতরণ করা হয়। অনুষ্ঠানে মহানগর বিএনপি, স্বেচ্ছাসেবক দল এবং বিভিন্ন অঙ্গ-সংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ অংশগ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানটি অত্যন্ত ভাবগাম্ভীর্য ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে সম্পন্ন হয়।