মহান স্বাধীনতার ঘোষক, বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবর্তক ও আধুনিক বাংলাদেশের স্থপতি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বীর উত্তম-এর ৪৫তম শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষে নারায়ণগঞ্জে আলোচনা সভা, দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার (৭ জুন) বাদ এশা নারায়ণগঞ্জ মহানগর ১৬নং ওয়ার্ড যুবদল নেতা ফয়সালের আহমেদের উদ্যোগে এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
১৬নং ওয়ার্ড যুবদলের সাবেক স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক মো. ফয়সাল আহমেদের সভাপতিত্বে এবং যুবদল নেতা মো. রনির সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট আবু আল ইউসুফ খান টিপু।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে অ্যাডভোকেট আবু আল ইউছুফ খান টিপু বলেন, “শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ছিলেন এক ক্ষণজন্মা রাষ্ট্রনায়ক। তিনি কেবল স্বাধীনতার ঘোষণাই দেননি, বরং সম্মুখ সমরে যুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করেছেন। পরবর্তীতে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব নিয়ে তিনি ধ্বংসস্তূপ থেকে আধুনিক বাংলাদেশ বিনির্মাণ করেছিলেন। তাঁর প্রবর্তিত উৎপাদন ও উন্নয়নের রাজনীতিই আজ আমাদের প্রেরণার উৎস।”
এডভোকেট আবু আল ইউসুফ খান টিপু আরও বলেন, “জিয়াউর রহমান দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্রের পুনঃপ্রবর্তন করে মানুষের অধিকার ফিরিয়ে দিয়েছিলেন। তাঁর আদর্শকে মুছে ফেলার অনেক চেষ্টা হয়েছে, কিন্তু জনগণের হৃদয় থেকে তাঁকে দূরে সরানো সম্ভব হয়নি। আজ দেশনায়ক তারেক রহমানের নেতৃত্বে সেই আদর্শকে বুকে ধারণ করেই আমাদের এগিয়ে যেতে হবে।”
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপি নেতা আওলাদ হোসেন মো. মিঠু। বিশেষ বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কে.এম মাজহারুল ইসলাম জোসেফ।
সম্মানিত অতিথি হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন— নারায়ণগঞ্জ সদর থানা বিএনপির সভাপতি মাসুদ রানা, সাংগঠনিক সম্পাদক নাজমুল হক, যুবদল নেতা মো. জাকির হোসেন সেন্টু, মো. রাফিউদ্দিন রিয়াদ এবং বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আব্দুল্লাহ আল হোসেন বাজি ও আহসান আল হোসেন ববি।
আলোচনা সভা শেষে এক বিশেষ দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। মোনাজাতে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করা হয়। একই সাথে সাবেক প্রধানমন্ত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনা এবং প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সুস্বাস্থ্য ও সাফল্য কামনা করে বিশেষ প্রার্থনা করা হয়।
অনুষ্ঠানে ১৬নং ওয়ার্ড যুবদল ও অঙ্গ-সংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী এবং স্থানীয় সাধারণ মানুষ অংশগ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানটি অত্যন্ত ভাবগাম্ভীর্য ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে সম্পন্ন হয়।