মহান স্বাধীনতার ঘোষক, বহুদলীয় গণতন্ত্রের পুনঃপ্রবর্তনকারী এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদৎবার্ষিকীতে তাঁর স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন বন্দর থানা যুবদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ও বন্দর সিএনজি স্ট্যান্ডের সাধারণ সম্পাদক হুমায়ূন কবির।
বহস্পতিবার (২৯ মে) এক বিবৃতিতে তিনি শহীদ জিয়ার বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন এবং আধুনিক বাংলাদেশ গঠনে তাঁর ঐতিহাসিক অবদানের কথা স্মরণ করেন।
বিবৃতিতে হুমায়ূন কবির বলেন, “শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ছিলেন এক কালজয়ী মহাপুরুষ। ১৯৭১ সালে যখন জাতি দিশেহারা, তখন তাঁর কালুরঘাট বেতার কেন্দ্রের স্বাধীনতার ঘোষণা জাতিকে মুক্তির সংগ্রামে ঝাঁপিয়ে পড়তে উদ্বুদ্ধ করেছিল। পরবর্তীতে ১৯৭৫-এর রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর তিনি ধ্বংসস্তূপ থেকে এদেশকে টেনে তুলে এক শক্তিশালী ও স্বনির্ভর জাতি হিসেবে বিশ্বদরবারে প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন।”
তিনি আরও বলেন, “জিয়াউর রহমান কেবল একজন সেনাপতি বা রাষ্ট্রনায়ক ছিলেন না, তিনি ছিলেন একজন সংস্কারক। তাঁর হাতে গড়া ১৯ দফা কর্মসূচি এদেশের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির সোপান তৈরি করেছিল। তিনি বহুদলীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রবর্তনের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের বাকস্বাধীনতা ও ভোটের অধিকার নিশ্চিত করেছিলেন।
বন্দর সিএনজি স্ট্যান্ডের সাধারণ সম্পাদক হুমায়ূন কবির আরও উল্লেখ করেন, “শহীদ জিয়ার রাজনীতি ছিল উন্নয়ন ও উৎপাদনের রাজনীতি। খাল খনন থেকে শুরু করে বিদেশে জনশক্তি রপ্তানি—সবই ছিল তাঁর দূরদর্শী চিন্তা। যুবদলের প্রতিটি কর্মীকে শহীদ জিয়ার সেই দেশপ্রেমের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে দেশ গড়ার কাজে আত্মনিয়োগ করতে হবে।”
পরিশেষে তিনি বন্দর থানা এলাকাবাসীসহ সকল জাতীয়তাবাদী শক্তির কাছে শহীদ জিয়ার জন্য দোয়া প্রার্থনা করেন এবং যে কোন সংকটে রাজপথের লড়াইয়ে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান।