বুধবার, ২৫ মার্চ ২০২৬, ০৪:৩৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বন্দরের লাঙ্গলবন্দে সনাতন ধর্মালম্বীদের পুণ্য স্নানোৎসব আজ থেকে শুরু  জ্বালানি তেলের যথাযথ সরবরাহ ও মজুদ পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের লক্ষ্যে সদর উপজেলা প্রশাসনের অভিযান মহান স্বাধীনতা দিবসে নারায়ণগঞ্জবাসীকে মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা জিয়ার রক্তিম শুভেচ্ছা মহান স্বাধীনতা দিবসে নারায়ণগঞ্জবাসীকে মহানগর প্রজন্ম দল নেতা আক্তার হোসেন অপুর শুভেচ্ছা মহান স্বাধীনতা দিবসে নারায়ণগঞ্জবাসীকে আল আমিন ইকবালের রক্তিম শুভেচ্ছা মহান স্বাধীনতা দিবসে নারায়ণগঞ্জবাসীকে জেলা গার্মেন্টস শ্রমিক দল নেতা ইসমাইল হোসেন কাউছারের শুভেচ্ছা মহান স্বাধীনতা দিবসে নারায়ণগঞ্জবাসীকে রেজা রিপনের রক্তিম শুভেচ্ছা নারায়ণগঞ্জবাসীকে মহান স্বাধীনতা দিবসের ‘রক্তিম শুভেচ্ছা’ জানালেন রাকিবুল ইসলাম রাকিব মহান স্বাধীনতা দিবসে নারায়ণগঞ্জবাসীকে মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহবায়ক দুলাল হোসেনের রক্তিম শুভেচ্ছা মহান স্বাধীনতা দিবসে নারায়ণগঞ্জবাসীকে মহানগর কৃষকদল নেতা ফয়সালের ‘রক্তিম শুভেচ্ছা’

বন্দরের লাঙ্গলবন্দে সনাতন ধর্মালম্বীদের পুণ্য স্নানোৎসব আজ থেকে শুরু 

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ২৫ মার্চ, ২০২৬
  • ১০ 🪪
নারায়নগঞ্জের বন্দর উপজেলার লাঙ্গলবন্দে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের পুন্য স্নানোৎসব আজ থেকে  লাঙ্গলবন্দে শুরু হচ্ছে পাপমুক্তির মহাস্নান। প্রতি বছর চৈত্র মাসের শুক্লা তিথিতে দেশ-বিদেশের লাখো পুণ্যার্থী ব্রহ্মপুত্র নদের তীরে সমবেত হন। তাদের বিশ্বাস, শুক্লাঅষ্টমী তিথিতে এ নদীতে স্নানের মাধ্যমে পাপমোচন ঘটে এবং ব্রহ্মার সন্তুষ্টি লাভ করা যায়।

উদযাপন কমিটির উপদেষ্টা শংকর কুমার দে জানান, বুধবার বিকাল ৫টা ১৭ মিনিটে স্নান শুরু হবে এবং বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) দুপুর ২টা ৫৯ মিনিটে শেষ হবে। এবার লাঙ্গলবন্দের ২৪টি ঘাটে স্নান অনুষ্ঠিত হবে।

পৌরাণিক বর্ণনা মতে, ত্রেতা যুগে ব্রাহ্মণ জমদগ্নি ও রেণুকার পুত্র পরশুরাম মাতৃহত্যার পাপ থেকে মুক্তি পেতে তপস্যা করেন। পরে নির্দেশনা অনুযায়ী চৈত্র মাসের অষ্টমী তিথিতে এক পবিত্র নদীতে স্নান করে পাপমুক্ত হন। পরবর্তীতে সেই পুণ্যধারা সাধারণ মানুষের জন্য উন্মুক্ত করতে তিনি লাঙ্গল দিয়ে হিমালয় থেকে সমভূমিতে জলধারা নিয়ে আসেন। বর্তমান নারায়ণগঞ্জের বন্দর এলাকায় এসে তিনি লাঙ্গল চালানো বন্ধ করলে স্থানটির নাম হয় লাঙ্গলবন্দ।

স্নানোৎসব সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। বন্দর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শিবানী সরকার জানান, পুণ্যার্থীদের সুবিধার্থে ২৪টি স্নানঘাট সংস্কার, নদের কচুরিপানা অপসারণ এবং বিশুদ্ধ পানির জন্য ৪৭টি নলকূপ স্থাপন করা হয়েছে। এছাড়া নারীদের জন্য পৃথক পোশাক পরিবর্তন কক্ষ ও ২০০টি অস্থায়ী শৌচাগার নির্মাণ করা হয়েছে।

জেলা পুলিশ সুপার মোঃ মিজানুর রহমান মুন্সি বলেন, পুণ্যার্থীদের নিরাপত্তায় দুই শিফটে প্রায় ১১০০ পুলিশ সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন। ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় আলাদা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। আনসার সদস্যরা সহযোগিতা করবেন। নৌ পুলিশও মোতায়েন থাকবে যাতে কোনো দুর্ঘটনা না ঘটে।

তিনি আরও জানান, পুরো তিন কিলোমিটার এলাকা সিসিটিভির আওতায় আনা হয়েছে। সাদা পোশাকে গোয়েন্দা নজরদারি ও ওয়াচ টাওয়ারের মাধ্যমে সার্বক্ষণিক মনিটরিং করা হবে।

নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক মো. রায়হান কবীর বলেন,পুণ্যার্থীদের জন্য সেবাকেন্দ্রে সরকারি বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। ঈদের সময় হওয়ায় মহাসড়কে চাপ বাড়তে পারে, সে বিষয়টি নিয়ন্ত্রণে ট্রাফিক বিভাগের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করা হচ্ছে। পূজা উদযাপন পরিষদের স্বেচ্ছাসেবকদের পাশাপাশি বিএনপির ২৫০ জন স্বেচ্ছাসেবক দায়িত্ব পালন করবেন।

তিনি আরও বলেন, চুরি-ছিনতাই প্রতিরোধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। দুটি ওয়াচ টাওয়ার নির্মাণ করা হয়েছে এবং জেলা প্রশাসনের একজন এডিসি সার্বক্ষণিক দায়িত্বে থাকবেন। প্রয়োজনে সেনাবাহিনীর টিম টহলে থাকবে। এছাড়া ১০ শয্যার একটি অস্থায়ী হাসপাতাল, মেডিকেল টিম, রোগী পরিবহনের জন্য রিকশা ও ছয়টি অ্যাম্বুলেন্স প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

এ বিভাগের আরো সংবাদ
©2020 All rights reserved Daily Narayanganj
Design by: SHAMIR IT
themesba-lates1749691102