ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ উপলক্ষে নারায়ণগঞ্জের সর্বস্তরের জনগণসহ সমগ্র দেশবাসীকে আন্তরিক অভিনন্দন ও রক্তিম শুভেচ্ছা জানিয়েছেন নারায়ণগঞ্জ মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহবায়ক দুলাল হোসেন।
গণমাধ্যমে পাঠানো এক শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি এই শুভেচ্ছা জানান এবং দিবসটির ঐতিহাসিক তাৎপর্য তুলে ধরেন।
শুভেচ্ছা বার্তায় দুলাল হোসেন বলেন, “১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক অবিস্মরণীয় ও টার্নিং পয়েন্ট। এ দিনে দেশপ্রেমিক সিপাহি ও জনতা রাজপথে নেমে এসে আধিপত্যবাদী চক্রান্তকে নস্যাৎ করে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বকে রক্ষা করেছিল। গৃহবন্দী অবস্থা থেকে মুক্ত করে সিপাহি-জনতা জিয়াউর রহমানকে রাষ্ট্র পরিচালনার কেন্দ্রবিন্দুতে অধিষ্ঠিত করে। সেই ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়েই দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্রের নবযাত্রা শুরু হয় এবং বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের শক্ত ভিত্তি রচিত হয়।”
তিনি আরও বলেন, “৭ নভেম্বরের চেতনা আমাদের শিখিয়েছে যেকোনো জাতীয় সংকটে কীভাবে দল-মত নির্বিশেষে ঐক্যবদ্ধ হয়ে দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব এবং গণতন্ত্রকে রক্ষা করতে হয়। আজও যখন দেশে ও বিদেশে নানা ষড়যন্ত্রের ডালপালা ছড়ানোর চেষ্টা করা হয়, তখন ৭ নভেম্বরের সিপাহি-জনতার ঐক্যের ইতিহাস আমাদের নতুন করে প্রেরণা যোগায়।”
মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের এই শীর্ষ নেতা নারায়ণগঞ্জের তৃণমূল নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, “শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শ, দেশনেত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার ত্যাগ এবং দেশনায়ক প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বলিষ্ঠ নেতৃত্বকে ধারণ করে আমাদের ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। একটি বৈষম্যহীন, শোষণমুক্ত ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ বিনির্মাণে জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দল অতীতে যেমন রাজপথে রক্ত দিয়েছে, ভবিষ্যতেও যেকোনো ষড়যন্ত্র মোকাবেলায় জনগণের পাশে থাকবে।”
পরিশেষে তিনি নারায়ণগঞ্জবাসীর দীর্ঘায়ু, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করেন এবং ৭ নভেম্বরের বীর শহীদদের রুহের মাগফিরাত কামনা করে দেশবাসীকে ঐক্যবদ্ধ থাকার উদাত্ত আহ্বান জানান।