শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ১২:১১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
নারায়ণগঞ্জে নানা আয়োজনে জুলাই শহীদদের শ্রদ্ধা নিবেদনের মধ্য দিয়ে যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হলো জুলাই শহীদ দিবস নারায়ণগঞ্জে জুলাই শহিদদের প্রতি জেলা পুলিশের গভীর শ্রদ্ধা নারায়ণগঞ্জে জুলাই শহীদ পরিবার ও আহতদের জন্য ‘মনিটরিং সেল’ গঠনের দাবি জামায়াত নেতা আবদুল জব্বারের বন্দর থানা প্রেসক্লাবের আহবায়ক কমিটির সভা অনুষ্ঠিত “জুলাই শহীদদের রক্তের দাবিতে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করতে হবে” — মুমিনুল হক সরকার জুলাই হত্যাকারীদের বিচার এ দেশের মাটিতেই হবে: এনডিএ চেয়ারম্যান মাসুকুল ইসলাম রাজীব  ৫০ হাজার মানুষের কান্না ছুঁয়ে দিলেন সজীব: জলাবদ্ধতার অভিশাপ থেকে মুক্তির ছোঁয়া ফতুল্লায় ১৬টি দেশীয় অস্ত্রসহ কুখ্যাত ছিনতাইকারী রাশেদ গ্রেপ্তার ঐতিহাসিক ১৬ জুলাই: শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা ও শোক প্রকাশ করলেন মহানগর বিএনপি নেতা রেজা রিপন মদনগঞ্জে কার্গো ট্রলার বাল্কহেড শ্রমিক ইউনিয়নের নতুন কার্যালয় উদ্বোধন ও দোয়া মাহফিল

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ৪ জুলাই, ২০২৬
  • ১০৭ 🪪

নারায়ণগঞ্জের বন্দরে টাকা পয়সা লেনদেনের বিরোধের জেরে হোসিয়ারী শ্রমিক আলমগীর হোসেনকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় দায়েরকৃত মামলার প্রধান আসামিসহ দুইজনকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব-১১। বুধবার (৩ জুলাই) দিবাগত রাতে সিদ্ধিরগঞ্জের গোদনাইল এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন— মামলার ১ নম্বর এজাহারনামীয় আসামি সালেহনগর এলাকার খলিল মিয়ার ছেলে মোঃ সোহেব (৪২) এবং ১০ নম্বর আসামি শাহী মসজিদ এলাকার বছির মিয়ার ছেলে মোঃ সুমন (৩৮)।

র‍্যাব সূত্রে জানা যায়, গত ৩ অক্টোবর ২০২৫ তারিখ শুক্রবার সন্ধ্যায় বন্দর থানার সালেহনগরে জনৈক পারভেজের গ্যারেজে এক বিচার শালিস চলাকালীন হোসিয়ারী শ্রমিক আলমগীর হোসেনকে হাতুড়ি ও দেশীয় অস্ত্র দিয়ে পিটিয়ে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। নিহত আলমগীর বন্দর শাহী মসজিদ এলাকার মৃত সোহবান মিয়ার ছেলে।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, আলমগীরের ভাতিজা মুন্নার সাথে একই এলাকার বাচ্চুর ছেলে জুয়েলের পাওনা টাকা নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধ ছিল। এই বিরোধ মীমাংসার জন্য গত ৩ অক্টোবর সন্ধ্যায় একটি শালিস বৈঠক বসে। আলমগীর হোসেন বৈঠকে আসতে দেরি করায় আসামি ফরহাদসহ অন্যান্যরা তাকে বাসা থেকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে আসে। শালিস চলাকালে পাওনা টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে বিবাদ শুরু হলে আসামি জুয়েলসহ অন্যান্যরা পূর্বপরিকল্পিতভাবে আলমগীরকে গ্যারেজ থেকে টেনে হিঁচড়ে রাস্তায় বের করে আনে। সেখানে হাতুড়ি, এসএস পাইপ ও লাঠিসোটা দিয়ে তাকে পিটিয়ে মাথা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে মারাত্মক রক্তাক্ত জখম করে।

পরে স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে বন্দর উপজেলা হাসপাতালে এবং পরবর্তীতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৪ অক্টোবর সকালে তার মৃত্যু হয়। এই ঘটনায় নিহতের বোন কল্পনা বেগম বাদী হয়ে বন্দর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। ঘটনাটি সে সময় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছিল।

র‍্যাব-১১-এর একটি আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ৩ জুলাই ২০২৬ তারিখ রাত সাড়ে ৯টায় সিদ্ধিরগঞ্জের গোদনাইলে অভিযান চালিয়ে আত্মগোপনে থাকা সোহেব ও সুমনকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।

গ্রেফতারকৃত আসামীদের পরবর্তী আইনানুগ কার্যক্রম গ্রহণের জন্য নারায়ণগঞ্জ জেলার বন্দর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে র‍্যাবের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

এ বিভাগের আরো সংবাদ
©2020 All rights reserved Daily Narayanganj
Design by: SHAMIR IT
themesba-lates1749691102