পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে নারায়ণগঞ্জবাসীসহ বিশেষ করে বক্তাবলী ইউনিয়নের সর্বস্তরের জনগণকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও ‘ঈদ মোবারক’ জানিয়েছেন নারায়ণগঞ্জ জেলা কৃষকদলের যুগ্ম আহবায়ক এবং বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক আল আমিন ইকবাল।
আজ গণমাধ্যমে পাঠানো এক শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি বলেন, “পবিত্র ঈদুল আজহা আমাদের মাঝে ত্যাগের এক মহান বার্তা নিয়ে হাজির হয়। হযরত ইব্রাহিম (আঃ) ও হযরত ইসমাইল (আঃ)-এর সেই অসীম ত্যাগের স্মৃতি আমাদের শেখায় আল্লাহর প্রতি নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ এবং মানুষের কল্যাণে নিজের প্রিয় বস্তুকে উৎসর্গ করা। কোরবানির প্রকৃত শিক্ষা কেবল পশু জবাই করা নয়, বরং নিজের ভেতরের পশুত্ব, হিংসা, বিদ্বেষ ও অহংকারকে বিসর্জন দেওয়া।”
আল আমিন ইকবাল তাঁর বার্তায় কৃষক ও শ্রমজীবী মানুষের ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, “বাংলাদেশ কৃষিপ্রধান দেশ, আর বক্তাবলীর মাটি ও মানুষের সাথে রয়েছে আমার নাড়ির সম্পর্ক। এ দেশের অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি আমাদের কৃষক ভাইরা। ত্যাগের এই মহান দিনে আমাদের অঙ্গীকার হোক—সমাজের অবহেলিত ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানো। ঈদের আনন্দ তখনই পূর্ণতা পায়, যখন আমরা আমাদের প্রতিবেশী এবং মেহনতী মানুষের সাথে সেই আনন্দ ভাগ করে নিতে পারি।”
তিনি আরও বলেন, “বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী কৃষকদল সবসময় কৃষকের অধিকার ও সাধারণ মানুষের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছে। ত্যাগের এই আদর্শে উজ্জীবিত হয়ে আমাদের ভ্রাতৃত্বের বন্ধনকে আরও সুদৃঢ় করতে হবে। আসুন, আমরা সব ভেদাভেদ ভুলে একে অপরের প্রতি সহমর্মী হই এবং সামর্থ্য অনুযায়ী কোরবানির আনন্দকে সবার মাঝে ছড়িয়ে দেই।”
পরিশেষে আল আমিন ইকবাল এলাকাবাসীর প্রতি একটি বিশেষ অনুরোধ জানিয়ে বলেন, “উৎসবের আমেজে আমরা যেন আমাদের পরিবেশের কথা ভুলে না যাই। কোরবানির পর পশুর বর্জ্য দ্রুত অপসারণ করে নিজ নিজ আঙিনা ও রাস্তাঘাট পরিষ্কার রাখা আমাদের সবার নাগরিক দায়িত্ব। একটি পরিচ্ছন্ন ও সুন্দর পরিবেশে আমরা যেন সুস্থভাবে ঈদ উদযাপন করতে পারি, সে লক্ষ্যে সবাইকে সচেতন থাকার আহ্বান জানাচ্ছি।”
শুভেচ্ছা বার্তার শেষে তিনি সকলের সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু ও সমৃদ্ধি কামনা করেন এবং প্রত্যাশা করেন যে, পবিত্র ঈদুল আজহার শিক্ষা আমাদের সবার জীবনকে আলোকিত করবে। সবাইকে আবারো ঈদ মোবারক!