মহান স্বাধীনতার ঘোষক, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর প্রতিষ্ঠাতা এবং বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবর্তক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৯০তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে গভীর শ্রদ্ধা ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন নারায়ণগঞ্জ মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহবায়ক দুলাল হোসেন।
সংবাদমাধ্যমে পাঠানো এক শুভেচ্ছা বার্তায় দুলাল হোসেন বলেন, “শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান আধুনিক বাংলাদেশের স্থপতি। ১৯৭১ সালে জাতির এক চরম ক্রান্তিলগ্নে তাঁর কালুরঘাট বেতার কেন্দ্রের সেই সাহসী ঘোষণা স্তব্ধ জাতিকে মহান মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়তে উদ্বুদ্ধ করেছিল। তিনি কেবল স্বাধীনতার ঘোষকই ছিলেন না, বরং রণক্ষেত্রে বীরত্বের সাথে লড়াই করে ‘বীর উত্তম’ খেতাবে ভূষিত হয়েছিলেন।”
শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি আরও উল্লেখ করেন, ১৯৭৫ পরবর্তী সময়ে যখন দেশের গণতন্ত্র ভূলুণ্ঠিত হয়েছিল, তখন জিয়াউর রহমান বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবর্তন করে জনগণকে তাঁদের বাক-স্বাধীনতা ও ভোটাধিকার ফিরিয়ে দিয়েছিলেন। তাঁর প্রবর্তিত ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ দর্শন এদেশের মানুষকে একটি স্বতন্ত্র জাতিসত্তা প্রদান করেছে।
দুলাল হোসেন তাঁর বক্তব্যে জিয়াউর রহমানের ১৯ দফা কর্মসূচির কথা স্মরণ করে বলেন, “শহীদ জিয়ার দূরদর্শী নেতৃত্বে বাংলাদেশ উন্নয়নের মহাসড়কে যাত্রা শুরু করেছিল। খাল কাটা কর্মসূচি, স্বনির্ভর অর্থনীতি এবং গ্রাম সরকার ব্যবস্থার মাধ্যমে তিনি সাধারণ মানুষের ভাগ্য উন্নয়নে কাজ করেছেন। আজ তাঁর ৯০তম জন্মবার্ষিকীতে আমাদের শপথ হবে তাঁর আদর্শকে ধারণ করে দেশনায়ক তারেক রহমানের নেতৃত্বে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলনে ঐক্যবদ্ধ থাকা।”
তিনি আরও বলেন, বর্তমান রাজনৈতিক সংকটে শহীদ জিয়ার আদর্শ আমাদের জন্য প্রধান অনুপ্রেরণা। নারায়ণগঞ্জ মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দল সবসময়ই রাজপথে থেকে গণতন্ত্র রক্ষার লড়াইয়ে অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে। শুভেচ্ছা বার্তার শেষে তিনি শহীদ জিয়া ও দেশমাতা বেগম খালেদা জিয়ার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং দেশবাসীকে তাদের আদর্শে উজ্জীবিত হওয়ার আহ্বান জানান।
উল্লেখ্য, ১৯৩৬ সালের ১৯ জানুয়ারি বগুড়ার বাগবাড়ীতে জন্মগ্রহণ করেন এই মহান নেতা। তাঁর জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে নারায়ণগঞ্জ মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের পক্ষ থেকে দিনভর দোয়া ও নানা কর্মসূচি পালন করা হবে বলেও বার্তায় জানানো হয়।