কথনের সভাপতি দীপা নাগ তন্দ্রা আজ এক বিবৃতিতে বলেন, সাহিত্য জীবনেরই প্রতিফলন। মানুষের আনন্দ-বেদনা, আশা-আকাঙ্ক্ষা সাহিত্যে হয়ে উঠে কবিতা-গল্প, সঙ্গীতের বারো স্বরের মধ্য দিয়ে। রবীন্দ্রনাথের লেখায় খুঁজে পাই প্রাণের ডাক, আলোর দিশা। তাঁর গানের বাণী ও সুর আমাদের মর্মে লেগে ব্যথাকে দেয় শোভা। অশান্ত চিত্তকে প্রণতি দিতে শেখায়। মানব মনের সমস্ত জায়গাটা জুড়ে যার অবস্থান তিনি বিশ্বকবি রবিন্দ্রনাথ ঠাকুর।
আরও বলেন, নজরুল আমাদের কাছে বিদ্রোহী বীর। কবিতা আঘাত করে বিদ্যমান শৃঙ্খলে। যুদ্ধে, মিছিলে, ময়দানে আমরা নজরুলের দামামা, ডঙ্কা বাজিয়ে স্লোগান তুলেছি। দৃঢ় সংকল্প নিয়ে দাঁড়িয়ে থেকে বাঁচতে প্রেরণা পেয়েছি। তবে তিনি নিজে চেয়েছেন তাকে এই নামে যেন শুধু না চিনি। তিনি চেয়েছেন প্রেম, দিতে এসেছেন তাই। তৎকালীন দাঙ্গার বিরুদ্ধে কথা বলতেন, হিন্দু মুসলিমকে এক জায়গায় বেঁধে ছিলেন। বাংলা সাহিত্যকে সমৃদ্ধ করেছেন অন্যান্য ভাষার সাহিত্যের সমন্বয়ে। আরবী সংস্কৃত ছন্দে তাঁর অনেক কবিতা পাওয়া যায়। সৃষ্টি করেছেন কতগুলো রাগ।
দুজনই লিখেছেন শিশু কিশোরদের জন্য। সেই বয়স থেকেই তাদের চর্চা হোক। তাঁদের ভাবনা আমাদেরকে আন্দোলিত করুক। এই চর্চায় অনায়াসেই ধুয়ে মুছে যেতে পারে সমাজের নৈতিকতার সংকট, সাংস্কৃতিক সংকট, ধর্মীয় রাহাজানি।
উক্ত অনুষ্ঠানে কথন সাহিত্যপ্রেমী, শিক্ষার্থী ও সংস্কৃতিমনা সকলকে উপস্থিত থাকার জন্য সাদর আমন্ত্রণ জানিয়েছে।