মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) বন্দর উপজেলার বিভিন্ন সরকারি দপ্তর পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন জেলা প্রশাসক।
ডিসি রায়হান কবির বলেন, সরকারি অস্ত্র উদ্ধারে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। অভিযানে এক-দুটি করে অস্ত্র উদ্ধার হচ্ছে। সরকারি হিসাব অনুযায়ী এখনো ৩৬টি অস্ত্র উদ্ধার করা বাকি রয়েছে। নির্বাচনের আগেই এসব অস্ত্র উদ্ধারের লক্ষ্যে অভিযান আরও জোরদার করা হবে।
অপরাধ নিয়ন্ত্রণের বিষয়ে তিনি বলেন, অস্ত্র উদ্ধারের পাশাপাশি মাদক ব্যবসায়ীদের তালিকা তৈরির কাজ চলছে। তালিকাভুক্ত মাদক ব্যবসায়ীদেরও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযানের আওতায় আনা হবে। ছিনতাই, কিশোর গ্যাং ও চাঁদাবাজি বন্ধেও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এসব অপরাধ নিয়ন্ত্রণে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর টহল আরও বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
জেলা প্রশাসক জানান, বন্দর থানার সার্বিক কার্যক্রমের পাশাপাশি হাজতখানা ও অস্ত্রাগারও পরিদর্শন করা হয়েছে। জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক ও নিয়ন্ত্রণে রাখতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
সরকারি দপ্তর পরিদর্শনের বিষয়ে তিনি বলেন, বিভিন্ন সরকারি অফিসে সাধারণ মানুষ কী ধরনের সেবা পাচ্ছেন এবং দপ্তরগুলোর কোনো সমস্যা রয়েছে কি না, তা সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করতেই নিয়মিত পরিদর্শন করা হচ্ছে। এর অংশ হিসেবে ইউএনও কার্যালয়, ভূমি অফিস, থানা ও সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরগুলো পরিদর্শন করা হচ্ছে।
বন্দরের বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকাণ্ড নিয়েও সন্তোষ প্রকাশ করেন জেলা প্রশাসক। তিনি বলেন, ইউএনও কার্যালয়ে সেবাগ্রহীতাদের জন্য ‘অন্তরে বন্দর’ নামে সুন্দর বসার ব্যবস্থা করা হয়েছে। একই সঙ্গে উপজেলার বিভিন্ন স্থানে জমে থাকা আবর্জনার স্তূপও পরিষ্কার করা হয়েছে।
আসন্ন জাতীয় নির্বাচন প্রসঙ্গে রায়হান কবির বলেন, জাতীয় নির্বাচনের মতোই একটি সুন্দর, শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করা হবে। তিনি প্রার্থীদের জনগণের ভোটে নির্বাচিত হওয়ার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করার আহ্বান জানান।