মহান স্বাধীনতার ঘোষক, বহুদলীয় গণতন্ত্রের পুনঃপ্রবর্তনকারী এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদৎবার্ষিকীতে তাঁর স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন নারায়ণগঞ্জ মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক দুলাল হোসেন।
আজ এক বিবৃতিতে তিনি এই মহান নেতার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং তাঁর বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবনের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন।
বিবৃতিতে দুলাল হোসেন বলেন, “শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ছিলেন বাংলাদেশের ইতিহাসের এক অবিসংবাদিত নেতা। ১৯৭১ সালের ২৬শে মার্চ যখন জাতি এক চরম অনিশ্চয়তার মুখে দাঁড়িয়েছিল, তখন কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে তাঁর স্বাধীনতার ঘোষণা মুক্তিকামী মানুষকে যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ার সাহস ও অনুপ্রেরণা জুগিয়েছিল। রণক্ষেত্রের সেই সাহসী বীর থেকে পরবর্তীতে তিনি হয়ে উঠেছিলেন এক সফল রাষ্ট্রনায়ক।”
তিনি আরও বলেন, “স্বাধীনতার পর দেশে যখন একদলীয় শাসনের যাঁতাকলে বাক-স্বাধীনতা ও গণতন্ত্র বিলীন হয়ে গিয়েছিল, তখন শহীদ জিয়াই বহুদলীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা করে মানুষের নাগরিক অধিকার ফিরিয়ে দিয়েছিলেন। তিনি কেবল একজন সেনাপতি বা রাষ্ট্রপতি ছিলেন না, তিনি ছিলেন আধুনিক বাংলাদেশের স্থপতি। তাঁর প্রবর্তিত ‘বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদ’ দর্শনই আমাদের প্রকৃত পরিচয় ও ঐক্যের মূল ভিত্তি।”
বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট উল্লেখ করে দুলাল হোসেন বলেন, “শহীদ জিয়া আমাদের শিখিয়েছেন কীভাবে নিজের পায়ে দাঁড়াতে হয়। তাঁর উৎপাদন ও উন্নয়নের রাজনীতি বাংলাদেশকে একটি আত্মনির্ভরশীল রাষ্ট্রে পরিণত করেছিল। তাঁর ব্যক্তিগত সততা ও দেশপ্রেম আজ আমাদের জন্য অনুকরণীয়। বর্তমান সময়ে গণতন্ত্র ও ভোটাধিকার পুনরুদ্ধারের যে সংগ্রাম চলছে, সেখানে শহীদ জিয়ার আদর্শই আমাদের প্রধান পাথেয়।”
তিনি পরিশেষে বলেন, “শহীদ জিয়ার দৈহিক মৃত্যু হলেও তাঁর আদর্শ অবিনশ্বর। নারায়ণগঞ্জ মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দল সবসময় তাঁর দেখানো পথে অবিচল থেকে জনগণের অধিকার রক্ষায় রাজপথে থাকবে। জাতীয় জীবনের সকল সংকটে শহীদ জিয়ার প্রদর্শিত পথই আমাদের মুক্তি ও সমৃদ্ধির দিশারি।”
বিবৃতিতে তিনি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও তাঁর পরিবারের সকল সদস্যের কল্যাণ এবং বিদেহী আত্মার উচ্চ মাকাম কামনা করে দেশবাসীকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান।