নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক এটিএম কামালের মাতা রত্নগর্ভা মরহুমার মৃত্যুতে গভীর শোক ও শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা প্রকাশ করেছেন খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব ও নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী এবিএম সিরাজুল ইসলাম মামুন।
সোমবার (৫ই জানুয়ারি) বিকেলে এটিএম কামালের মাতার মৃত্যুর সংবাদ পাওয়ার পরপরই তাকে সান্ত্বনা দিতে এবং শোকাহত পরিবারের পাশে দাঁড়াতে নারায়ণগঞ্জ শহরের মিশনপাড়াস্থ বাসভবনে ছুটে যান সিরাজুল ইসলাম মামুন। সেখানে তিনি শোকাতুর পরিবারের সদস্যদের সাথে বেশ কিছুক্ষণ সময় অতিবাহিত করেন। এ সময় তিনি মরহুমার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করে মহান আল্লাহর দরবারে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করেন।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, রাজনৈতিক মতাদর্শের ভিন্নতা থাকলেও এবিএম সিরাজুল মামুন ও এটিএম কামালের পরিবারের মধ্যে দীর্ঘ কয়েক দশকের গভীর হৃদ্যতা রয়েছে। সিরাজুল মামুনের পিতা, গণবিদ্যা নিকেতন উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক মরহুম হাবিবুর রহমান এবং এটিএম কামালের পিতা ছিলেন পরস্পরের ঘনিষ্ঠ বন্ধু। সেই সুবাদে শৈশব থেকেই দুই পরিবারের মধ্যে আন্তরিক যাতায়াত ও সুসম্পর্ক বিদ্যমান।
শোকবার্তায় এবিএম সিরাজুল ইসলাম মামুন বলেন, “আমাদের দুই পরিবারের সম্পর্ক অতি পুরনো এবং অত্যন্ত গভীর। কামাল ভাইয়ের আব্বা এবং আমার আব্বা ছিলেন পরম বন্ধু। এমনকি কামাল ভাই আমার শ্রদ্ধেয় আব্বার সরাসরি ছাত্রও ছিলেন। এই শোকের মুহূর্তে আমি গভীরভাবে ব্যথিত। আমরা মহান রবের দরবারে দোয়া করি, আল্লাহ তায়ালা যেন মরহুমাকে জান্নাতুল ফেরদাউসের উচ্চ মাকাম দান করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারকে এই কঠিন শোক সইবার ধৈর্য দান করেন।”
এ সময় সিরাজুল ইসলাম মামুনের সাথে খেলাফত মজলিসের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। তাদের মধ্যে মহানগর সহ-সভাপতি অধ্যাপক শাহ আলম, সহ-সাধারণ সম্পাদক মুফতি শেখ শাব্বীর আহমাদ এবং জেলা সহ-সাধারণ সম্পাদক মুফতি আব্দুল গনীসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত থেকে সমবেদনা প্রকাশ করেন।