নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলা পরিষদে চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে জনপ্রিয়তা বিএনপির একক সমর্থনে এগিয়ে রয়েছেন বিশিষ্ট শিল্পপতি ও একজন সৎ, আদর্শিক রাজনৈতিক সংগঠক,দলের প্রতি আনুগত্যশীল আল মুজাহিদ মল্লিক।
ঢাকার রাজপথ থেকে তুখোড় ছাত্রনেতা হিসেবে তার নেতৃত্বকে বিকাশিত করে সোনারগাঁয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে পদার্পণ করে দীর্ঘ রাজনৈতিক সংগ্রামে বলিষ্ঠ নেতৃত্বের মাধ্যমে অনন্য এক নাম হয়ে উঠেন আল মুজাহিদ মল্লিক। অপরদিকে সাংগঠনিক দক্ষতা এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে নিবিড় সম্পর্কের কারণে সোনারগাঁ উপজেলার স্থানীয় বাসিন্দাদের কাছেও পরিচিত মুখ হয়ে উঠেন আল মুজাহিদ মল্লিক।
অপরদিকে আল মুজাহিদ মল্লিকের রাজনৈতিক দল বিএনপির জন্য একনিষ্ঠতার সাথে বিভিন্ন সাংগঠনিক দায়িত্ব পালন এবং দলীয় আন্দোলন সংগ্রামে মুখ্য ভূমিকা পালন করে বিএনপির নেতাকর্মীদের দুঃসময়ে কান্ডারী হয়ে উঠেছিলেন। যার কারণে বিএনপির পক্ষ থেকে সোনারগাঁ উপজেলা বিএনপির ১নং সিনিয়র সহ-সভাপতি করা হয়। আসন্ন সোনারগাঁ উপজেলা পরিষদের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে ব্যাপক জনপ্রিয়তা এবং বিএনপির নেতাকর্মীদের পছন্দের প্রার্থী হিসেবে দলীয় সমর্থনেও এগিয়ে থাকছেন আল মুজাহিদ মল্লিক।
এছাড়াও দলীয় সমর্থনে এগিয়ে থাকার অন্যতম কারণ হচ্ছে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আল মুজাহিদ মল্লিক দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন দল থেকে মনোনয়ন বঞ্চিত হয়েও বিএনপির মনোনীত প্রার্থীকে বিপুল ভোটে জয়যুক্ত করার মুখ্য ভূমিকা পালন করেন। যার কারণে বিএনপির পক্ষ থেকেও সোনারগাঁ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে তাঁকে একক প্রার্থী করার পরিকল্পনা গ্রহণ করতে যাচ্ছেন।
স্থানীয় সূত্র বলছে, বিগত প্রায় ১৭ বছর ধরে নানা প্রতিকূলতা ও রাজনৈতিক চাপের মধ্য দিয়ে পথ চলেছেন আল মুজাহিদ মল্লিক। রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকার কারণে বিভিন্ন সময় মামলা-মোকদ্দমা,কারাবরণ এবং শারীরিক নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। পাশাপাশি একজন শিল্পপতি হিসেবে তার শিল্পপ্রতিষ্ঠানে বিভিন্ন সময় ব্যাপক ক্ষয় ক্ষতির সম্মুখীন হয় বলেও দাবি করেন তার সহকর্মী ও সমর্থকরা। তবে এসব প্রতিকূলতা তার রাজনৈতিক আদর্শ ও জনসেবার মানসিকতাকে ধমিয়ে রাখতে পারেনি।
বিশেষ করে ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর দেশের বিভিন্ন স্থানে যখন নানা অনিয়ম ও বিতর্ক নিয়ে আলোচনা শুরু হয়, তখন স্থানীয় পর্যায়ে আল মুজাহিদ মল্লিকের বিরুদ্ধে কোনো নেতিবাচক অভিযোগ বা বিতর্ক সামনে আসেনি বলে উল্লেখ করেন তার সমর্থকরা। পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তি ও জনসম্পৃক্ততার কারণে তিনি সাধারণ মানুষের আস্থা অর্জন করেছেন বলে মনে করছেন স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।
রাজনীতির পাশাপাশি সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডেও তার সক্রিয় উপস্থিতি রয়েছে। বিভিন্ন সময় অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো, সামাজিক সমস্যার সমাধানে ভূমিকা রাখা এবং এলাকার উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণের কারণে তিনি সাধারণ মানুষের কাছে একজন জনবান্ধব ব্যক্তি হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছেন।
আল মুজাহিদ মল্লিক বলেন, “রাজনীতি আমার কাছে ক্ষমতার নয়, মানুষের কল্যাণের মাধ্যম। দীর্ঘদিন মানুষের সঙ্গে থেকে তাদের সুখ-দুঃখের অংশীদার হয়েছি। সুযোগ পেলে সোনারগাঁ উপজেলায় উন্নয়ন, সুশাসন ও জনসেবাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করব।”
স্থানীয়দের ভাষ্য, গরীব দুঃখী এবং বিএনপির ত্যাগী নেতাকর্মীদের আস্থার প্রতীক হিসেবে আল মুজাহিদ মল্লিক ইতোমধ্যে উপজেলার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্যতা অর্জন করেছেন। তাদের প্রত্যাশা, দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, সাংগঠনিক দক্ষতা এবং তৃণমূলের মানুষের সঙ্গে গভীর সম্পর্ক তাকে একজন যোগ্য জনপ্রতিনিধি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে সহায়ক হবে। এখন দেখার বিষয় হচ্ছে, দীর্ঘ সংগ্রাম ও জনসম্পৃক্ততা এই পথচলা তাকে কতটা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার শিখরে পৌঁছে দিতে পারে।