এদিকে ডাকাত রতনের বিরুদ্ধে হাজারো অপকর্মের অভিযোগ এবং ডাকাতি সহ একাধিক মামলা থাকা সত্বেও প্রশাসনকে বোকা বানিয়ে এলাকায় প্রকাশ্যে অবস্থান করে কিভাবে তার অপকর্ম চালানোর সাহস পায়। রতনের কর্মকান্ডে এলাকাবাসী আতঙ্কে থাকলেও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কেন নিরব জনসাধারণ জানতে চায়। আর কানাইনগর-চরবয়রাগাদী এবং বেতকা সড়কে রতন ডাকাত বাহিনীর আতঙ্ক সড়ক হিসেবে চিহ্নিত। এই সড়কে মানুষ ঈদে কেনাকাটা করে রাতের বেলা নির্ভয়ে নিরাপদে বাড়ি ফিরতে সাহস পাচ্ছে না।
এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, বিগত আওয়ামী শাসন আমলে ডাকাত রতন একক আধিপত্য বিস্তার সহ ডাকাতি সহ নানা অপকর্ম করার লাইসেন্স নিতে ফতুল্লা থানা যুবলীগের সভাপতি মীর সোহেলের বলয়ে রাজনীতি করার চেষ্টা করে। ঐ সময় মীর সোহেলের সাথে কিছু ছবি তুলে ফেইসবুকে দিয়ে নিজেকে মীর সোহেলের লোক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে তোলে। ঐ সময় রতন ডাকাত ও তার পিতা তাজুল মিয়া শত অপকর্ম করলেও মীর সোহেলের ভয়ে কেউ প্রতিবাদ করার সাহস পেতো না। যার কারনে বেপরোয়া হয়ে উঠে রতন ডাকাত ও তার পিতা তাজুল মিয়া। তবে ছেলে একজন ডাকাত দলের হোতা এটা জানা সত্বেও বাপ হয়ে তাজুল মিয়া ছেলেকে কন্ট্রোল না করে সকল অপকর্মকে উৎসাহিত করে বলে অভিযোগ এলাকাবাসীর।
অভিযোগ করে ভুক্তভোগীরা জানান, বক্তাবলীর চর প্রসন্ননগর এলাকার চিহ্নিত ডাকাত মাদক ব্যবসায়ী ও নানান অপকর্মের হোতা রতন ওরফে ডাকাত রতন ভয়ঙ্কর ডাকাত হিসেবে চিহ্নিত। তার ভয়ে কেউ প্রতিবাদ করার সাহস পায় না। তার একটা বিশাল বাহিনী রয়েছে। কানাইনগর-চরবয়রাগাদী এবং বেতকা সড়কে ডাকাতি সহ মাদক ব্যবসা করে বেড়াচ্ছে। বেকতা সড়কটি ট্রানজিট হিসেবে ব্যবহার করছে। ঐ অঞ্চলে পুলিশ প্রশাসন ডিউটি না দেয়ার ফলে রতন সড়কটিকে নিরাপদ হিসেবে বেছে নিয়েছে। সম্প্রতি ছমিরনগর এলাকার এক স্বর্ণ ব্যবসায়ীর প্রাইভেট আটকে টাকা পয়সা লুটে নিয়ে যায়। ঐ ঘটনায় ডাকাত রতনের বিরুদ্ধে ফতুল্লা থানায় মামলাও হয়েছে। আর গত বছরের ২৮ এপ্রিল ইন্ডিয়ার বর্ডার ব্রাক্ষনবাড়িয়ার কসবা উপজেলার এলাকা থেকো ফতুল্লা থানা পুলিশ
গ্রেফতারও করেছিল। জামিনে বের হয়ে ডাকাত রতন ফের বেপরোয়া হয়ে উঠে। ডাকাত রতনের হাত থেকে রক্ষা পেতে চায় এলাকাবাসী।
ফতুল্লা মডেল থানার এসআই শামীম আহমেদ বলেন, রতনের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে। তাকে গ্রেপ্তার করতে খোজ খবর নেয়া হচ্ছে এবং সে অপরাধ করে পাড় পাবে না।