তারিকুল ইসলাম সুজন বলেন, “আমি ভাগবাটোয়ারা করতে আসিনি। নারায়ণগঞ্জ শহর-বন্দরকে বদলাতে এসেছি। এখানে রাজনীতি হবে মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য, ব্যক্তিস্বার্থ বা গোষ্ঠীস্বার্থের জন্য নয়।”
তারিকুল বলেন, দীর্ঘদিন ধরে নারায়ণগঞ্জের মানুষ উন্নয়নের নামে প্রতারণার শিকার হয়েছে। নাগরিক সেবা, নিরাপত্তা, কর্মসংস্থান, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে চরম অব্যবস্থাপনা বিরাজ করছে। “এই শহরকে আর অনিশ্চয়তার মধ্যে থাকতে দেওয়া যাবে না। স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও মানবিকতা হবে আমার রাজনীতির মূল ভিত্তি।”
তিনি আরও বলেন, শহর-বন্দরের ভয়াবহ যানজট, জলাবদ্ধতা, মাদক, কিশোর গ্যাং, দখলদারিত্ব ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়া হবে। “ভয়মুক্ত নারায়ণগঞ্জ গড়তে হলে রাজনৈতিক সদিচ্ছার কোনো বিকল্প নেই।”
তারিকুল বলেন, জনপ্রতিনিধি মানে ক্ষমতার মালিক নয়, জনগণের সেবক। “আমি চাই এমন একটি নারায়ণগঞ্জ, যেখানে নাগরিক মর্যাদা থাকবে, কথা বলার স্বাধীনতা থাকবে এবং সাধারণ মানুষই হবে রাষ্ট্রের প্রকৃত শক্তি।”
তিনি দল-মত নির্বিশেষে সকল শ্রেণি-পেশার মানুষকে সঙ্গে নিয়ে নারায়ণগঞ্জ শহর-বন্দরকে একটি আধুনিক, শান্তিময় ও বাসযোগ্য নগরীতে রূপান্তরের আহ্বান জানান।