গণসংযোগকালে তিনি বলেন, “নারায়ণগঞ্জ আজ দখলদার, চাঁদাবাজ ও লুটেরা রাজনীতির জিম্মায়। জনগণের ভোটাধিকার হরণ করে ক্ষমতা টিকিয়ে রাখার এই রাজনীতির বিরুদ্ধে মাথাল মার্কা আজ প্রতিবাদের প্রতীক। এই নির্বাচন শুধু এমপি নির্বাচনের নয় এটি শোষণের বিরুদ্ধে গণমানুষের লড়াই।”
তিনি আরও বলেন, “গার্মেন্ট শ্রমিক, খেটে খাওয়া মানুষ, নিম্নবিত্ত ও মধ্যবিত্ত জনগণের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য সংসদে দরকার একজন আপসহীন কণ্ঠ। মাথাল মার্কায় ভোট দিয়ে সেই কণ্ঠকে শক্তিশালী করতে হবে।”
গণসংযোগে স্থানীয় জনগণ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন এবং দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, কর্মসংস্থানের সংকট, গ্যাস–বিদ্যুৎ–পানির সমস্যা ও নিরাপত্তাহীনতা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তারা বিকল্প রাজনীতির পক্ষে অবস্থান নিয়ে মাথাল মার্কায় ভোট দেওয়ার দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।
অঞ্জন দাস বলেন, “এই লড়াই কোনো ব্যক্তির নয়,এই লড়াই সাধারণ মানুষের। ভয় নয়, ভোটই হবে পরিবর্তনের হাতিয়ার।”