এক বাণীতে সংগঠনটির চেয়ারম্যান মো. মনির হোসেন বলেন, ১৯৭১ সালের এই দিনে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ও তাদের দোসররা পরিকল্পিতভাবে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের হত্যা করে। শিক্ষক, চিকিৎসক, সাংবাদিক, লেখক ও গবেষকদের নির্মমভাবে হত্যা করে সদ্য স্বাধীন দেশকে মেধাশূন্য করার অপচেষ্টা চালানো হয়েছিল।
মো. মনির হোসেন বলেন, “শহীদ বুদ্ধিজীবীরা ছিলেন জাতির বিবেক ও আলোর দিশারি। তাঁদের আত্মত্যাগের বিনিময়েই আমরা স্বাধীনতা অর্জন করেছি। তাঁদের অবদান কোনোদিন ভুলে যাওয়ার নয়।”
তিনি আরও বলেন, “আইন সহায়তা, মানবাধিকার ও মানব উন্নয়নের যে সংগ্রাম আজ আমরা করছি, তা শহীদ বুদ্ধিজীবীদের আদর্শ থেকেই অনুপ্রাণিত। একটি ন্যায়ভিত্তিক, মানবিক ও বৈষম্যহীন সমাজ গঠনের মধ্য দিয়েই তাঁদের আত্মত্যাগের যথার্থ মর্যাদা দেওয়া সম্ভব।”
বাণীতে তিনি নতুন প্রজন্মের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, শহীদ বুদ্ধিজীবীদের ইতিহাস ও আদর্শ ধারণ করে দেশ ও মানুষের কল্যাণে কাজ করতে হবে।
শেষে তিনি শহীদ বুদ্ধিজীবীদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং তাঁদের শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।