ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিংক রোডের ব্যস্ততম সাইনবোর্ড মোড় যেন ফুটপাত দখলের এক স্থায়ী চক্রে আটকা পড়েছে। প্রশাসনের বারবার উচ্ছেদ অভিযানের পরও শত শত ভাসমান দোকান নিয়ে ফের হাজির হচ্ছেন দখলদাররা। এই অরাজকতায় যাত্রীদের চলাচল যেমন ব্যাহত হচ্ছে, তেমনি বাড়ছে ছিনতাই-চুরির মতো অপরাধ।
মঙ্গলবার (২৮ অক্টোবর) সকাল ১১টায় জেলা প্রশাসকের (ডিসি) আদেশক্রমে ম্যাজিস্ট্রেট রাশেদ খানের নেতৃত্বে মোবাইল কোর্ট টিম সাইনবোর্ড মোড়ে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করে।
এর আগেও প্রায় দশ দিন আগে এখানে একটি উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়েছিল। তখন ম্যাজিস্ট্রেট দখলদারদের নামমাত্র জরিমানা করে সতর্ক করে দিয়েছিলেন যে, তারা যেন পুনরায় ফুটপাত দখল করে বেপরোয়াভাবে দোকান না বসায়।
ম্যাজিস্ট্রেট রাশেদ খান দখলদারদের উদ্দেশ্য করে বলেন, “আপনারা ফুটপাত দখল করে বেপরোয়াভাবে দোকান বসাবেন না। আপনাদের কারণে লোকজনের জ্যাম তৈরি হয়, যার কারণে ছিনতাই ও চুরি বেড়ে যায়। আপনারা জনগণের বা যাত্রীদের ক্ষতি করবেন না।”
প্রতিদিন হাজার হাজার যাত্রী ঢাকা, সিলেট, চট্টগ্রাম, চাঁদপুর ও কুমিল্লার দিকে এই মোড় দিয়েই আসা-যাওয়া করেন। অথচ ফুটপাত দখল হয়ে যাওয়ায় এখানে কোনো সুশৃঙ্খল পরিবেশ নেই।
অভিযান চলাকালে মোবাইল কোর্ট টিম বিভিন্ন লটকানো ব্যানার, ফেস্টুনসহ অবৈধ দোকানপাটের কিছু মালামাল জব্দ করে। তবে স্থানীয়দের বক্তব্যে উঠে আসে এক হতাশাজনক চিত্র। তাদের মতে, ম্যাজিস্ট্রেট সরে গেলেই এক ঘণ্টার মধ্যে ফের দোকান বসে যাওয়াই যেন এই এলাকার অলিখিত নিয়মে পরিণত হয়েছে।