শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৪:৪৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
এড.আবুল কালাম চতুর্থবার এমপি নির্বাচিত হওয়ায় ইসমাইল হোসেন কাউছারের অভিনন্দন নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে আবুল কালামের জয় ও বিএনপির সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনে আমলাপাড়ায় দোয়া মাহফিল বিএনপির নিরঙ্কুশ জয় ও খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনায় বিএনপি নেতা মজিবুর রহমানের উদ্যোগে দোয়া  নারায়ণগঞ্জ-৫: আবুল কালামের ঐতিহাসিক জয়ে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা জিয়ার অভিনন্দন নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে ধানের শীষের জয়ে এড. আবুল কালামকে দুলাল হোসেনের অভিনন্দন না’গঞ্জ-৩ আসনে ধানের শীষের বিজয়: আজহারুল ইসলাম মান্নানকে ফয়সালের অভিনন্দন  চতুর্থবারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ায় এড.আবুল কালামকে ফতেহ মোহাম্মদ রেজা রিপনের অভিনন্দন ‘নেতাকর্মীদের না খুঁজে দুর্বৃত্তদের খুঁজলে ভালো হবে’: নজরুল ইসলাম আজাদ রূপগঞ্জে বিপুল ভোট পেয়ে ইতিহাস গড়বেন দিপু ভূঁইয়া: মাহবুবুর রহমান  ধানের শীষের শেষ সময়ের প্রচারণায় জনসমুদ্র, জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী আবুল কালাম

দৃষ্টিহীন আলভীর পাশে মানবতার হাত বাড়ালেন ডিসি জাহিদুল ইসলাম

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ৬ অক্টোবর, ২০২৫
  • ১৯৮ 🪪

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার দেওভোগ এলাকার গার্মেন্টস শ্রমিক আজিজুল হক ও গৃহিণী রাশেদা বেগমের কিশোরী মেয়ে হাকিমা আক্তার আলভি দীর্ঘদিন ধরে প্রায় দৃষ্টিশক্তিহীন অবস্থায় ভুগছে। পাঁচজনের পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম আজিজুল হক গার্মেন্টসে কাজ করে অল্প বেতনে সংসার চালাতে হিমশিম খান। তবুও ধার-দেনা ও আত্মীয়স্বজনের সাহায্যে মেয়ের চিকিৎসা চালিয়ে গেছেন দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে, কিন্তু কোনো উন্নতি হয়নি।

চিকিৎসকরা দ্রুত ভারতের শংকর নেত্রালয়ে চিকিৎসার পরামর্শ দিয়েছেন। ভারতের ভিসাও সংগ্রহ করেছেন পরিবারটি, কিন্তু বিদেশে চিকিৎসার খরচ জোগাড় করতে পারেননি তাঁরা। দৃষ্টিহীন মেয়েকে নিয়ে একের পর এক দ্বারে ঘুরেও ব্যর্থ হন রাশেদা বেগম।

অবশেষে হতাশ হয়ে সোমবার দেখা করেন সারাদেশে ‘মানবিক ডিসি’ হিসেবে পরিচিত নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞার সঙ্গে। জেলার এই অভিভাবক মনোযোগ দিয়ে শোনেন অসহায় মায়ের কষ্টের গল্প। তিনি রাশেদাকে সান্ত্বনা দেন, হতাশ না হতে পরামর্শ দেন এবং আলভীর চিকিৎসার জন্য তাৎক্ষণিকভাবে আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন।

রাশেদা বেগম বলেন, “আমি মেয়ের চিকিৎসার জন্য অনেকের কাছে গিয়েছি, কেউ পাশে দাঁড়াননি। কিন্তু ডিসি স্যার আমার কথা শোনামাত্রই অনুদানের চেক দিলেন। পরিমাণে ছোট হলেও এই সহায়তা আমাদের জন্য অনেক সাহসের।”

তিনি আরও বলেন, “নারায়ণগঞ্জের স্বচ্ছল মানুষরা যদি মাত্র ১০০ টাকা করে দেন, তবে আমার মেয়ের চিকিৎসার সব খরচ উঠে যাবে। আমার মেয়ের স্বপ্ন—চোখ ফিরে পেয়ে পড়ালেখা করে একদিন ডাক্তার হবে।”

জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম বলেন, “সীমিত বাজেটের কারণে একজনকে খুব বেশি সহায়তা করা সম্ভব নয়। তবে প্রায়ই এমন অসহায় মানুষ আমার কাছে আসেন। জেলার অভিভাবক হিসেবে আমি চেষ্টা করি, অল্প হলেও সবার পাশে দাঁড়াতে।”

আলভীর দৃষ্টিশক্তি ফিরিয়ে দিতে সমাজের বিত্তবান ও সহৃদয় মানুষদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক।

এ বিভাগের আরো সংবাদ
©2020 All rights reserved Daily Narayanganj
Design by: SHAMIR IT
themesba-lates1749691102