মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬, ০৪:৫২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
আওয়ামী লীগের ষড়যন্ত্র ও নৈরাজ্যের প্রতিবাদে ফতুল্লা ইউনিয়ন বিএনপির বিশাল বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ  ফতুল্লায় বিশেষ অভিযানে গ্রেফতার আওয়ামীীগ নেতা ও ডিসি অফিসের সি এ হাবিব মল্লিকের শ্বশুর সানাউল্লাহ ২০ বছর পর উদ্ধার হচ্ছে হাফেজীবাগের বিশাল পুকুর; সংস্কার কাজ পরিদর্শনে নাসিক প্রশাসক আওয়ামী লীগের নাশকতা রুখতে নারায়ণগঞ্জে টিপুর নেতৃত্বে বিশাল শান্তি মিছিল; ফারুক হোসেনের নেতৃত্বে শ্রমিক দলের যোগদান নিষিদ্ধ কর্মকাণ্ড করলে ছাড় নয়, আওয়ামী লীগকে প্রতিহতের ঘোষণা সাখাওয়াতের নিষিদ্ধ কর্মকাণ্ড করলে ছাড় নয়, আওয়ামী লীগকে প্রতিহতের ঘোষণা সাখাওয়াতের এমপিপুত্র সজীবের বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা পায়নি ডিবি: বহিষ্কার প্রত্যাহারের দাবি নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার বিতর্ক প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম নারায়ণগঞ্জে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের নেতা ও ছাত্র ফেডারেশন সভাপতি সাইদুর রহমান নিখোঁজ সোনারগাঁওয়ে নিষিদ্ধ সংগঠনের পোস্টার লাগানোর সময় সক্রিয় সদস্য শান্ত গ্রেফতার

দৃষ্টিহীন আলভীর পাশে মানবতার হাত বাড়ালেন ডিসি জাহিদুল ইসলাম

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ৬ অক্টোবর, ২০২৫
  • ২৩৬ 🪪

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার দেওভোগ এলাকার গার্মেন্টস শ্রমিক আজিজুল হক ও গৃহিণী রাশেদা বেগমের কিশোরী মেয়ে হাকিমা আক্তার আলভি দীর্ঘদিন ধরে প্রায় দৃষ্টিশক্তিহীন অবস্থায় ভুগছে। পাঁচজনের পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম আজিজুল হক গার্মেন্টসে কাজ করে অল্প বেতনে সংসার চালাতে হিমশিম খান। তবুও ধার-দেনা ও আত্মীয়স্বজনের সাহায্যে মেয়ের চিকিৎসা চালিয়ে গেছেন দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে, কিন্তু কোনো উন্নতি হয়নি।

চিকিৎসকরা দ্রুত ভারতের শংকর নেত্রালয়ে চিকিৎসার পরামর্শ দিয়েছেন। ভারতের ভিসাও সংগ্রহ করেছেন পরিবারটি, কিন্তু বিদেশে চিকিৎসার খরচ জোগাড় করতে পারেননি তাঁরা। দৃষ্টিহীন মেয়েকে নিয়ে একের পর এক দ্বারে ঘুরেও ব্যর্থ হন রাশেদা বেগম।

অবশেষে হতাশ হয়ে সোমবার দেখা করেন সারাদেশে ‘মানবিক ডিসি’ হিসেবে পরিচিত নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞার সঙ্গে। জেলার এই অভিভাবক মনোযোগ দিয়ে শোনেন অসহায় মায়ের কষ্টের গল্প। তিনি রাশেদাকে সান্ত্বনা দেন, হতাশ না হতে পরামর্শ দেন এবং আলভীর চিকিৎসার জন্য তাৎক্ষণিকভাবে আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন।

রাশেদা বেগম বলেন, “আমি মেয়ের চিকিৎসার জন্য অনেকের কাছে গিয়েছি, কেউ পাশে দাঁড়াননি। কিন্তু ডিসি স্যার আমার কথা শোনামাত্রই অনুদানের চেক দিলেন। পরিমাণে ছোট হলেও এই সহায়তা আমাদের জন্য অনেক সাহসের।”

তিনি আরও বলেন, “নারায়ণগঞ্জের স্বচ্ছল মানুষরা যদি মাত্র ১০০ টাকা করে দেন, তবে আমার মেয়ের চিকিৎসার সব খরচ উঠে যাবে। আমার মেয়ের স্বপ্ন—চোখ ফিরে পেয়ে পড়ালেখা করে একদিন ডাক্তার হবে।”

জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম বলেন, “সীমিত বাজেটের কারণে একজনকে খুব বেশি সহায়তা করা সম্ভব নয়। তবে প্রায়ই এমন অসহায় মানুষ আমার কাছে আসেন। জেলার অভিভাবক হিসেবে আমি চেষ্টা করি, অল্প হলেও সবার পাশে দাঁড়াতে।”

আলভীর দৃষ্টিশক্তি ফিরিয়ে দিতে সমাজের বিত্তবান ও সহৃদয় মানুষদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক।

এ বিভাগের আরো সংবাদ
©2020 All rights reserved Daily Narayanganj
Design by: SHAMIR IT
themesba-lates1749691102