মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬, ১১:০১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
নারায়ণগঞ্জের ক্রীড়াঙ্গন গতিশীল করতে জেলা প্রশাসকের মাঠ পরিদর্শন ও দিকনির্দেশনা সড়ক দুর্ঘটনায় আহত স্বপন চৌধুরীর খোঁজ নিলেন জেলা তাঁতীদলের সাংগঠনিক সম্পাদক সিদ্দিকুর রহমান উজ্জ্বল নারায়ণগঞ্জে ছাত্র-শিবিরের সাবেক নেতৃবৃন্দের  সম্মানে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত সাহস ও সমর্থনে এগিয়ে যাবার প্রত্যয়ে নারী দিবস  উপলক্ষে শোভাযাত্রা বের করলো মানব কল্যাণ পরিষদ মাসুদুজ্জামানের পক্ষ থেকে রমজানে দরিদ্র পরিবার প্রতি এক কেজি মাংস বিতরণ অব্যাহত নারায়ণগঞ্জের উন্নয়নে ব্যবসায়ীদের ঐক্যবদ্ধ ভূমিকা রাখার আহ্বান সোহেলের কুরআনের আলোকে জীবন গড়ে মাদক মুক্ত সমাজ গড়ার আহবান – মাওলানা আবদুল জব্বার  শাসনগাঁও শাহি জামে মসজিদের ইফতার মাহফিলে মিলন মেলা  কথা রাখলেন সাংসদ আবুল কালাম: বন্দরে দীর্ঘদিনের গ্যাস সংকট নিরসনে সংস্কার কাজ শুরু না’গঞ্জে হযরত ওয়াইস করনী (রাঃ) ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে অসহায়দের মাঝে ইফতার ও ঈদ সামগ্রী বিতরণ

কেন্দ্রীয় হাঁস প্রজনন খামার: প্রোটিনের চাহিদা পূরণ করছে খামারটি

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ৪৮৩ 🪪

দেশে গবাদি পশু ও ডিমের দাম আকাশ ছোঁয়া হলেও নারায়ণগঞ্জে মধ্যবিত্ত এবং নিম্ন আয়ের মানুষের প্রোটিনের চাহিদা বেশ ভালোভাবেই পূরণ করছে কেন্দ্রীয় হাঁস প্রজনন খামার। সরকারি এ খামার থেকে খুবই কম মূল্যে হাঁসের বাচ্চা ও ডিম কিনে বাণিজ্যিকভাবে লাভবান হচ্ছেন যুবসমাজসহ নতুন উদ্যোক্তা। সরকার আরও উদ্যোগ নিলে প্রজনন ও উৎপাদন কয়েক গুণ বাড়ানো সম্ভব বলে দাবি সংশ্লিষ্টদের।

জানা গেছে, শহরের হাজীগঞ্জ এলাকায় ৭.৮৭ একর জমির ওপর ১৯৪০ সালে প্রতিষ্ঠা করা হয় সরকারি হাঁস মুরগি খামার। পরবর্তীতে ১৯৮৬ সালে এটি কেন্দ্রীয় হাঁস প্রজনন খামারে রূপান্তর করা হয়। এরপর থেকে এখানে শুধুমাত্র হাঁস প্রজনন, ডিম উৎপাদন ও বিক্রি করা হয়। দেশি সাদা ও কালো জাতের পাশাপাশি চীনের জিনডিং, বেইজিং, পিংকি, ইংল্যান্ডের খাকি ক্যাম্পবেল ও ভারতের রানারসহ বিভিন্ন দেশের উন্নত জাতের হাঁস পালন ও বাচ্চা প্রজনন করা হয় খামারটিতে। বর্তমানে ডিম পাড়ার উপযোগী প্রাপ্তবয়স্ক ও কিশোর বয়সী ৩৬০০-৩৭০০ হাঁস পালন করা হচ্ছে।

সারা দেশে জেলাভিত্তিক আঞ্চলিক খামার থাকলেও নারায়ণগঞ্জের এ কেন্দ্রীয় খামারটি দেশের প্রধান হাঁস প্রজনন খামার হিসেবে পরিচালিত হচ্ছে। প্রতি সপ্তাহে ছয়দিন পর পর ডিম ফুটানো বাচ্চা বুকিংয়ের মাধ্যমে খামারি ও উদ্যোক্তাদের কাছে বিক্রি করা হয়। বাজার মূল্যের চেয়ে খুবই কম মূল্যে দেশি বিদেশি নানা প্রজাতির হাঁসের বাচ্চা ও ডিম বিক্রি হয় বলে বিভিন্ন এলাকা থেকে সাধারণ মানুষ ও উদ্যোক্তারা এ খামারে কিনতে আসেন। এখান থেকে হাঁস, বাচ্চা ও ডিম দেশের অধিকাংশ জেলাতেও সরবরাহ করা হয়।

খামারটিতে জনবল সংকটের কারণে ছুটির দিনেও সবাইকে অতিরিক্ত কাজ করতে হয়। এছাড়া পর্যাপ্ত পরিমাণ জায়গা থাকলেও গত চার দশক ধরে প্রজনন ও উৎপাদনের হার একই অবস্থায় স্থিতিশীল রয়েছে। অবকাঠামো উন্নয়ন, জনবল বৃদ্ধি ও খাবারের বরাদ্দ বাড়ানো হলে প্রজনন এবং উৎপাদন দ্বিগুণ বৃদ্ধি করা সম্ভব বলে দাবি সংশ্লিষ্টদের।

নারায়ণগঞ্জ কেন্দ্রীয় হাঁস প্রজনন খামারের উপর পরিচালক এটিএম সালাহ উদ্দিন বলেন, আমাদের যথেষ্ট পরিমাণ জায়গা আছে। এখানে নতুন শেড করা যায়। তবে খাবারের নির্দিষ্ট বরাদ্দ আছে। যদি অবকাঠামো উন্নয়ন, জনবল ও খাবারের বরাদ্দ বাড়ানো যায় তবে প্রজনন ও উৎপাদন দ্বিগুন বাড়ানো যাবে।

তবে উৎপাদন বাড়াতে সরকার আগামী বছর ৭০ কোটি টাকা প্রকল্পের কাজ শুরু করতে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন খামারের উপপরিচালক এটিএম সালাহ উদ্দিন। তিনি বলেন, প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে প্রজনন ও উৎপাদন তিন থেকে চার গুণ বৃদ্ধি পাবে। পাশাপাশি দেশের পুষ্টির চাহিদা পূরণ হবে এবং বিদেশে রফতানিও করা যাবে।

এ বিভাগের আরো সংবাদ
©2020 All rights reserved Daily Narayanganj
Design by: SHAMIR IT
themesba-lates1749691102