মহান স্বাধীনতার ঘোষক, বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবর্তক এবং আধুনিক বাংলাদেশের স্থপতি শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বীর উত্তম-এর ৪৫তম শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (৩ জুন) দুপুর দেড়টায় ডক্টরস্ এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব), নারায়ণগঞ্জ শাখার উদ্যোগে নগরীর ৩০০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালের কনফারেন্স রুমে এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
ড্যাব নারায়ণগঞ্জের জেলা ও মহানগর নেতৃবৃন্দের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত এই আলোচনা সভায় বক্তারা শহীদ জিয়ার কর্মময় জীবনের ওপর আলোকপাত করেন। তারা বলেন, “শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ছিলেন এক ক্ষণজন্মা রাষ্ট্রনায়ক। তিনি কেবল যুদ্ধের ময়দানেই বীরত্ব দেখাননি, বরং রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব নিয়ে ধ্বংসস্তূপ থেকে এদেশকে একটি মর্যাদাশীল রাষ্ট্রে পরিণত করেছিলেন। তাঁর প্রবর্তিত উৎপাদন ও উন্নয়নের রাজনীতি এবং ১৯-দফা কর্মসূচি আজও এদেশের অর্থনৈতিক ও সামাজিক মুক্তির মূলমন্ত্র।”
পেশাজীবী নেতারা আরও বলেন, “জিয়াউর রহমানই দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্রের পুনঃপ্রবর্তন করে মানুষের কথা বলার ও ভোটাধিকার নিশ্চিত করেছিলেন। একজন সৎ ও দেশপ্রেমিক নেতা হিসেবে তিনি বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করেছিলেন। তাঁর আদর্শকে ধারণ করেই বর্তমান সময়েও সকল পেশাজীবীদের ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।”
আলোচনা সভা শেষে এক বিশেষ দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। মোনাজাতে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করা হয়। একই সাথে সাবেক প্রধানমন্ত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত এবং বিএনপির চেয়ারম্যান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সুস্বাস্থ্য ও সাফল্য কামনা করে বিশেষ প্রার্থনা করা হয়।
অনুষ্ঠানে ডক্টরস্ এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব)-এর কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় পর্যায়ের চিকিৎসকবৃন্দ, হাসপাতালের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং শুভানুধ্যায়ীরা উপস্থিত ছিলেন। পুরো অনুষ্ঠানটি অত্যন্ত ভাবগাম্ভীর্য ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে সম্পন্ন হয়।