পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে নারায়ণগঞ্জবাসীসহ বিশেষ করে ফতুল্লার বক্তাবলী ইউনিয়নের সর্বস্তরের জনগণকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও ‘ঈদ মোবারক’ জানিয়েছেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও তরুণ সমাজসেবক মোহাম্মদ মিন্টু।
আজ গণমাধ্যমে পাঠানো এক শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি বলেন, “পবিত্র ঈদুল আজহা আমাদের মাঝে ত্যাগের এক মহান শিক্ষা নিয়ে হাজির হয়। হযরত ইব্রাহিম (আঃ) এর অসীম ত্যাগের মহিমা ও মহান আল্লাহর প্রতি তাঁর যে অবিচল আনুগত্য, তা আমাদের জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। কোরবানি মানেই কেবল পশু জবাই নয়, বরং নিজের ভেতরের সবটুকু অহংকার, স্বার্থপরতা ও কুপ্রবৃত্তিকে বিসর্জন দিয়ে মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করাই এর প্রকৃত উদ্দেশ্য।”
তরুণ এই সমাজসেবক তাঁর বার্তায় বক্তাবলী ইউনিয়নের বাসিন্দাদের প্রতি বিশেষ ভালোবাসা প্রকাশ করে বলেন, “বক্তাবলীর মাটি ও মানুষের সুখে-দুঃখে আমি সবসময় পাশে থাকার চেষ্টা করেছি। ঈদের এই আনন্দ তখনই সার্থক হবে, যখন আমরা আমাদের প্রতিবেশী এবং সমাজের অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়াতে পারব। ইসলামের মূল শিক্ষা হলো ভ্রাতৃত্ব এবং সমবণ্টন। আসুন, আমরা সামর্থ্য অনুযায়ী কোরবানির আনন্দ ও খুশি সবার মাঝে ভাগ করে নেই।”
তিনি আরও বলেন, “ব্যবসায়িক ও সামাজিক কর্মব্যস্ততার মাঝেও মানুষের সেবা করাই আমার মূল লক্ষ্য। ত্যাগের এই মহান দিনে আমাদের প্রার্থনা হোক—দেশ ও জাতি যেন সকল সংকট কাটিয়ে শান্তির পথে এগিয়ে যায়। আমরা যেন সব ভেদাভেদ ভুলে একে অপরের প্রতি ভ্রাতৃত্বের হাত বাড়িয়ে দিয়ে একটি সুন্দর সমাজ গড়ে তুলতে পারি।”
পরিশেষে মোহাম্মদ মিন্টু এলাকাবাসীর প্রতি একটি বিশেষ অনুরোধ জানিয়ে বলেন, “উৎসবের আমেজে আমরা যেন আমাদের পরিবেশের কথা ভুলে না যাই। কোরবানির পর পশুর বর্জ্য দ্রুত অপসারণ করে নিজ নিজ আঙিনা ও রাস্তাঘাট পরিষ্কার রাখা আমাদের সবার নৈতিক ও নাগরিক দায়িত্ব। পরিচ্ছন্ন পরিবেশ নিশ্চিত করে আমরা যেন সুস্থ ও সুন্দরভাবে ঈদ উদযাপন করতে পারি।”
শুভেচ্ছা বার্তার শেষে তিনি সকলের সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু ও সমৃদ্ধি কামনা করেন এবং প্রত্যাশা করেন যে, পবিত্র ঈদুল আজহার শিক্ষা আমাদের সবার জীবনকে আলোকিত করবে। সবাইকে আবারো ঈদ মোবারক!