পবিত্র ঈদুল ফিতরের মহিমান্বিত এই সময়ে সরকারি তোলারাম কলেজের সকল শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারী, সম্মানিত অভিভাবক এবং নারায়ণগঞ্জবাসী সহ সমগ্র দেশবাসীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও ভালোবাসার বার্তা জানিয়েছেন কলেজের মাননীয় অধ্যক্ষ প্রফেসর মুহাম্মদ শহিদুল ইসলাম। উৎসবের এই পুণ্যলগ্নে তিনি সকলের সুস্বাস্থ্য, সমৃদ্ধি ও দীর্ঘায়ু কামনা করে ত্যাগের মহিমায় উদ্ভাসিত একটি সুন্দর ভবিষ্যতের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
এক বিশেষ শুভেচ্ছা বার্তায় অধ্যক্ষ মহোদয় বলেন, “ঈদ আমাদের মাঝে ত্যাগের মহিমা ও সহমর্মিতার যে শিক্ষা নিয়ে আসে, তা যেন আমাদের প্রাত্যহিক জীবনের পাথেয় হয়। সরকারি তোলারাম কলেজ কেবল একটি বিদ্যাপীঠ নয়, বরং এটি একটি সুশৃঙ্খল ও ঐতিহ্যবাহী বিশাল পরিবার। এই পরিবারের প্রতিটি সদস্য—শিক্ষক থেকে শুরু করে শিক্ষার্থী এবং কর্মচারী—সবাই যদি পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা বজায় রেখে চলেন, তবেই একটি আদর্শ শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ গড়ে তোলা সম্ভব। ঈদের এই পবিত্রতা আমাদের হৃদয়ে একতার স্পৃহা আরও সুদৃঢ় করবে।”
তিনি কলেজের সার্বিক উন্নয়নে এক নতুন উদ্যম ও উন্নত কর্ম-মানসিকতা নিয়ে এগিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, “প্রতিষ্ঠানের একাডেমিক উৎকর্ষ সাধনে শিক্ষকদের নিষ্ঠা এবং প্রশাসনিক শৃঙ্খলা বজায় রাখতে কর্মচারীদের আন্তরিক প্রচেষ্টা প্রশংসার দাবি রাখে। একইসাথে শিক্ষার্থীদের প্রতি তিনি পরামর্শ দেন যেন তারা ঈদের এই ইতিবাচক শক্তি ও আনন্দকে ধারণ করে নিজেদের দক্ষ ও দেশপ্রেমিক সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তোলে।”
অভিভাবকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে অধ্যক্ষ প্রফেসর মুহাম্মদ শহিদুল ইসলাম বলেন, “আপনারা আমাদের সহযোগী। আপনাদের সন্তানদের যোগ্য মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে আপনাদের আস্থা ও সহযোগিতা অপরিহার্য। আমি আশা করি, ঈদের এই আনন্দের সময়টি আপনারা পরিবারের সাথে সুন্দরভাবে উপভোগ করবেন।”
দেশবাসীর উদ্দেশ্যে শুভেচ্ছা জানিয়ে তিনি বলেন, “ঈদ মানেই আনন্দ, ঈদ মানেই ভাগাভাগি করা। আমরা যেন সবাই মিলেমিশে এই আনন্দের অংশীদার হই। যদি আমরা নিজ নিজ অবস্থান থেকে সততা ও আন্তরিকতার সাথে দায়িত্ব পালন করি, তবে সরকারি তোলারাম কলেজ সহ সমগ্র দেশ শ্রেষ্ঠত্বের আসনে সদা সমুজ্জ্বল থাকবে।”
পরিশেষে, অধ্যক্ষ মহোদয় আশা প্রকাশ করেন যে, ঈদের এই ভ্রাতৃত্বের বন্ধন যেন শিক্ষক-ছাত্র, কর্মচারী ও অভিভাবকদের মধ্যকার সম্পর্ককে আরও গভীর ও সুদৃঢ় করে। সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এবং সেবার মানসিকতা নিয়ে সরকারি তোলারাম কলেজকে দেশের অন্যতম শ্রেষ্ঠ উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে আরও উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।