স্থানীয় সনমান্দী গ্রামের আব্দুর রহমান, চরভুলুয়া গ্রামের রাসেল আহমেদ ও মারবদী গ্রামের কামাল হোসেন সহ কমপক্ষে দশটি গ্রামের ২০ জন সচেতন ভোটারের সাথে কথা বলে এই তথ্য জানা যায়।
ভোটাররা জানান,জনপ্রিয় চেয়ারম্যান বিল্লাহ হোসেন সন্ত্রাসীদের হামলায় নিহত হওয়ার পর মহীয়সী নারী বিউটি আক্তার ও তার স্বামী সনমান্দী ইউনিয়ন বিএনপির ত্যাগী ও সংগ্রামী নেতা মোসলেহউদ্দিন হত্যাকরীদের বিচারের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবীতে আন্দোলন সংগ্রাম অব্যাহত রাখে।
পাশাপাশি বিল্লাল চেয়ারম্যান এর জনপ্রিয়তা ও স্মৃতি ধরে রাখতে ইউনিয়ন এর বিভিন্ন গ্রামের মানুষের সুখে দুখে পাশে থাকেন। মানুষের সুখ দুঃখ ভাগাভাগি করতে গিয়ে এক সময় বিউটি ও মোসলেহউদ্দিন দম্পতি মানুষের ভালবাসায় সিক্ত হয়ে গরীব দুঃখীদের সাথে একাকার হয়ে যান।
সনমান্দী ইউনিয়নে বিভিন্ন গ্রামের শিক্ষিত সচেতন ও বিভিন্ন পেশার মানুষের সাথে কথা বলে জানা যায়, বিগত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার জন্য এলাকার সাধারন ভোটাররা বিউটির উপর চাপ সৃষ্টি করেন কিন্তু রাজনৈতিক পরিবেশ অনূকূলে না থাকায় তিনি প্রার্থী হতে পারেনি অবশেষে আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে দলের নেতাকর্মী ও বিভিন্ন পেশাজীবি মানুষের অনুরোধের কারনে বিউটি আক্তার নির্বাচন করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
এই খবর এলাকায় ছড়িয়ে পরার পর থেকে দলমত নির্বিশেষ সকল শ্রেণী পেশার মানুষ এর মধ্যে আনন্দ বিরাজ করছে।
সাজালেরকান্দি গ্রামের সুরুজ মিয়া জানান, বিউটি আক্তার নির্বাচন করবে শুনে সত্যিকার অর্থেই মনটি ভালো লাগলো। আজ যেনো মনে হচ্ছে ঈদের দিন আগামী নির্বাচনে বিউটি আক্তারকে ভোট দিয়ে আমরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত করবো।
হযরতপুর গ্রামের নাসির উদ্দীন জানান, বিউটি আক্তার রত্নগর্ভা মা তার দুটি সন্তানই মেধাবী বড় ছেলে মেহেদী হাসান ইমন অস্ট্রেলিয়ার উচ্চ শিক্ষা গ্রহন করছেন ও ছোট ছেলে কোরআনের হাফেজ ওমর ফারুক।
বিউটি আক্তার এর চেয়ারম্যান প্রার্থীতার বিষয়ে জানতে চাইলে মোসলেহউদ্দিন জানান তিনি সনমান্দী ইউনিয়ন এর সাবেক জনপ্রিয় চেয়ারম্যান এর সন্তান।তার পিতার আদর্শকে লালন করে সে রাজনীতি করে আসছে।সময়ের প্রয়োজনে সনমান্দী ইউনিয়নবাসীর অনুরোধে তিনি চেয়ারম্যান প্রার্থী হচ্ছেন।
বিউটি আক্তার বলেন, আমার বাবার অসামপ্ত কাজ গুলো সমাপ্ত করতে আমি নির্বাচন করবো।কোনো অশুভ শক্তি নির্বাচন থেকে আমাকে সরিয়ে রাখতে পারবে না।