সৌজন্য সাক্ষাতে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রেক্ষাপট, এলাকায় শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক পরিবেশ বজায় রাখা, ভোটারদের নিরাপত্তা, জনস্বার্থ-সম্পৃক্ত মৌলিক সমস্যা এবং ভবিষ্যৎ উন্নয়ন–অভিযাত্রাকে কেন্দ্র করে বিস্তৃত মতবিনিময় অনুষ্ঠিত হয়। উভয় পক্ষই নির্বাচনী প্রতিযোগিতার বাইরে গিয়ে গণতন্ত্র, রাজনৈতিক সহনশীলতা, পারস্পরিক শ্রদ্ধা এবং স্থানীয় জনগণের জীবনমান উন্নয়নের লক্ষ্যে দায়িত্বশীল রাজনৈতিক আচরণের গুরুত্ব তুলে ধরেন।
অঞ্জন দাস সাক্ষাৎকালে বলেন, স্থানীয় জনগণের আশা–আকাঙ্ক্ষা ও অভিযোগকে সম্মান করে যেকোনো রাজনৈতিক চর্চায় দায়িত্ববোধকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া প্রয়োজন। তিনি আরও বলেন, ভিন্ন রাজনৈতিক মত থাকলেও জনগণের স্বার্থ, এলাকার নিরাপত্তা এবং উন্নয়ন–সংক্রান্ত প্রশ্নে সকল পক্ষের সম্মিলিত অবস্থানই গণতান্ত্রিক সমাজকে শক্তিশালী করে।
অপরদিকে মুহাম্মদ গিয়াসউদ্দিন অঞ্চলভিত্তিক জটিল সমস্যাগুলো সমাধানে উন্মুক্ত সংলাপ, প্রাতিষ্ঠানিক স্বচ্ছতা ও রাজনৈতিক ভদ্রতা বজায় রাখার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন।
আলোচনায় আগামী জাতীয় নির্বাচন যেন সহিংসতামুক্ত, অবাধ, শান্তিপূর্ণ ও অংশগ্রহণমূলক হয়-এই অভিন্ন প্রত্যাশা উভয় পক্ষ থেকেই উঠে আসে। পাশাপাশি কর্মসংস্থান, শ্রমিক অধিকার, স্থানীয় উন্নয়ন, জনসেবা কাঠামোর সংকট, তরুণদের সুযোগ সৃষ্টি এবং নারীর নিরাপত্তা–সংক্রান্ত বহুবিধ ইস্যুও গুরুত্ব পায়।
সাক্ষাতে উপস্থিত ছিলেন:
মহানগরের নির্বাহী সমন্বয়কারী পপি রাণী সরকার, সিদ্ধিরগঞ্জ থানার আহ্বায়ক মো: জিয়াউর রহমান, সম্পাদক মো: সোহাগ, নারী সংহতির আহ্বায়ক নাজমা বেগম, জেলা ছাত্র ফেডারেশনের সভাপতি সাইদুর রহমান, জেলা শ্রমিক সংহতির দপ্তর সম্পাদক রনি শেখ, জেলা যুব ফেডারেশনের প্রচার সম্পাদক সাকিব হাসান সানি সহ আরও বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
সাক্ষাতের সমাপ্তিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, রাজনৈতিক পার্থক্য থাকলেও জনগণের কল্যাণ, গণতান্ত্রিক অধিকার, সামাজিক স্থিতিশীলতা এবং শান্তিপূর্ণ নির্বাচন-এগুলোই সবার যৌথ প্রতিজ্ঞা হওয়া উচিত। উপস্থিত ব্যক্তিরা মত দেন যে, এ ধরনের সৌজন্য সাক্ষাৎ সমাজে রাজনৈতিক সহনশীলতা, পারস্পরিক সম্মান এবং গঠনমূলক সংলাপকে শক্তিশালী করে।
গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক সংস্কৃতি জোরদার এবং জনগণের অংশগ্রহণমূলক রাষ্ট্র গঠনের লক্ষ্যকে সামনে রেখে এ ধরনের উন্মুক্ত ও আন্তরিক মতবিনিময় অব্যাহত রাখার ঘোষণার মাধ্যমে সাক্ষাৎ শেষ হয়।